সময় - একটি শিক্ষনীয় গল্প | আমরা বাঙালী - Amra Bangali

সময় - একটি শিক্ষনীয় গল্প | আমরা বাঙালী - Amra Bangali

 

Amra Bangali - আমরা বাঙালী ব্লগ

Amra Bangali Blog - আমরা বাঙালী ব্লগ


শিক্ষনীয় গল্প ও শিক্ষামূলক ঘটনা

আপনি কি জানেন এই পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী জিনিসের ব্যাপারে । যদি এই শক্তিশালী জিনিসটিকে আপনি একবার বুঝে  যান এবং এটিকে হ্যান্ডেল করা টেকনিক যদি শিখে যান তাহলে, আমি হান্ড্রেড পার্সেন্ট গ্যারান্টি দিচ্ছি যে, আপনি সেই সকল জিনিসগুলি করতে পারবেন । সেই সকল জিনিসগুলিকে নিজের বানাতে পারবেন । যেগুলো কিনা আপনি এতদিন ধরে কেবলমাত্র স্বপ্নেই ভাবতেন । আপনার কাছে শুধু একটাই অনুরোধ যে , আপনি এই ব্লগটি  অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়বেন।  কারণ আমি চাইনা যে আপনার কাছে অর্ধেক নলেজ গিয়ে পৌঁছাক । 


উপদেশ মূলক গল্প, পরিশ্রমের সফলতা,



 আমি যে শক্তিশালী জিনিসটির কথা বলছি তা হল সময় । আপনি কি জানেন যে , সফল হওয়া এবং অসফল হওয়ার মধ্যে কি তফাৎ রয়েছে ? সফল ব্যক্তি জানে যে তাকে কোথায় তার টাকা এবং টাইম কে ইনভেস্ট করতে হবে । কিন্তু অসফল ব্যক্তি জানে না যে , কোথায় থাকে তার টাকা এবং টাইম কে ইনভেস্ট করতে হবে , এই কারণের জন্যই আজ কেউ সফল আবার কেউ অসফল ।  

আচ্ছা সবই তো বুঝলাম কিন্তু টাইম ইনভেস্ট টা বুঝলাম না.?  টাকা ইনভেস্ট করার কথাটা শুনেছি কিন্তু  টাইম ইনভেসমেন্ট আবার কি জিনিস আগে তো কোথাও শুনিনি ?




 আচ্ছা ঠিক আছে আমি এই সম্পর্কে একটি এক্সাম্পল দ্বারা বুঝিয়ে দিচ্ছি। রিসেন্ট বোল্ট নামক একজন অলিম্পিক অ্যাথলেট  যিনি একশো মিটার দৌড়ে স্প্রিন চ্যাম্পিয়ন । তিনি লাস্ট তিনটি অলিম্পিকে কেবলমাত্র একশো মিটার -পনেরো সেকেন্ড সময়ে দৌড়ে ছিলেন । আর এই পনেরো সেকেন্ড দৌড়ের জন্য তাকে একশো উনিশ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছিল । অর্থাৎ প্রতি এক সেকেন্ডের জন্য তাকে এক মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছিল । এটা পুরাই অবাক করার ব্যাপার তাই না ? এক মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায়  প্রায় সাত কোটি সাতান্ন লক্ষ একাত্তর হাজার পাঁচশো টাকা। কিন্তু এই একশো মিটার পনেরো সেকেন্ডের দৌড়ের জন্য তাকে বিশটি বছর নিজেকে ট্রেন করতে হয়েছে । তবেই গিয়ে সে তার সেকেন্ড এর ভ্যালু কে এতটা করতে পেরেছে । এই বিশ বছর ছিল তার টাইম ইনভেস্টমেন্ট । এটিই হলো সময়ের ইনভেস্টমেন্ট ।





 

ঠৎ তার কাছে একজন মহিলা এলেন এবং তিনি পাব্লোপিকাসো কে বলেন  তার স্কেচ তৈরি করার জন্য।আর এই স্কেচ বানানোর জন্য রিকোয়েস্ট করলেন । পিকাসু সেই টেবিলে রাখা একটি পেপার নিয়ে দু মিনিট সময় নিয়ে ।  হ্যাঁ দু মিনিট সময় নিয়ে সেই মহিলার একটি ছবি এঁকে দিলেন । সেই মহিলাকে সেই ছবি টি দিয়ে বললেন যে , " দিস ইজ ওয়ান মিলিয়ন ডলার পেন্টিং " অর্থাৎ এই ছবির মূল্য এক মিলিয়ন ডলার ।সেই মহিলা টি অবাক হয়ে গেলেন । এবং তার কথা টি যাচাইয়ের জন্য  মার্কেটে গিয়ে সেই স্কেচ টি নিয়ে গিয়ে দেখায়৷। এবং তিনি সব জায়গায় গিয়ে  জানতে পারলেন যে সত্যিই সেই স্কেচ টি ওয়ান মিলিয়ন ডলার ছিল ।



 শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার গল্প , সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প



 সেই মহিলাটি আবার পিকাশুর কাছে এলেন তিনি পিকাসুকে জিজ্ঞেস করলেন যে, সামান্য দু মিনিটে আপনি কিভাবে এই ওয়ান মিলিয়ন ডলারের স্কেচ টিকে বানিয়ে ফেললেন ? এই কথাটি শুনে পিকাসু হেসে বললেন যে , প্রতিভাকে পাওয়ার জন্য আমি আমার জীবনের ত্রিশ বছর ইনভেস্ট করেছি । আর এটিই হলো টাইমের ইনভেস্টমেন্ট । আসা করি নিশ্চয়ই টাইম ইনভেস্টমেন্ট কি তা বুঝতে পেরেছেন । তাই নিজের এই মূল্যবান সময়কে এমন জায়গায় ইনভেস্ট করুন যা ভবিষ্যতে গিয়ে হিউজ এমাউন্টের রিটার্নসে পরিণত হয়। 



 অর্থাৎ আজ আপনার কাছে টাইম আছে , নিজের স্কিলটি আরও উন্নত করতে বা নতুন কিছু  জিনিস শেখার কাজে লাগান । যার রিটার্ন গিফট আপনি অবশ্যই পাবেন । কিন্তু আজ যদি আপনি এটিকে ওয়েস্ট করে দেন তাহলে সারা জীবন আফসোস করতে হবে । আর এই জন্য-ই এই টাইমকে ভ্যালু দেওয়া শিখুন । আজ যদি আপনি এটিকে ভ্যালু না দেন তাহলে কাল এই পৃথিবী আপনাকে ভ্যালু দেবে না । ইতিহাসে খুব কম লোককেই দেখতে পাওয়া যায় । যারা এই সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে পেরেছিল। এবার আপনাদের মধ্যে থেকে অনেকেই হয়তো ভাবছেন যে ভাই  ইচ্ছে তো রয়েছে অনেক কিছুই করার । কিন্তু টাইমই তো নেই আমার কাছে । 




তো একেবারেই টাইম নেই আপনার কাছে। আসলে সত্যি বলতে কি জানেন ? আপনার কাছে সময়ের অভাব নেই ।বরং অভাব আছে টাইম ম্যানেজমেন্টের । কারণ ? একদিনে এই পৃথিবীতে সকল ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টাই টাইম পায় । কেও কম নয় আবার কেউ বেশিও নয় । আর এই চব্বিশ ঘন্টার সঠিক ব্যবহার করে ধীরু বাই নামক ব্যক্তি রেলিয়ান্স নামের এত বড়ো কোম্পানি তৈরী করেছে । এই চব্বিশ ঘন্টার সঠিক ব্যবহার করে জ্যাকমা  আলিবাবা নামের কোম্পানিকে সব দেশে ছড়িয়ে দিয়েছে । 




তাহলে কেন আপনার কাছে এই চব্বিশ ঘণ্টা কম পড়ছে । লাইফে বড় কিছু করার চেষ্টা কর  ? কারণ আপনি টাইমকে এখনো ঠিক মতো ম্যানেজ করতে শেখেন , টাইম কে ম্যানেজ করার সবথেকে বেস্ট এবং কার্যকরী মাধ্যম হলো । এই যে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ডাইরিতে একটি লিস্ট তৈরি করুন । সেই সকল কাজগুলোকে  আপনাকে আজকের এই চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে কমপ্লিট করতেই হবে । প্রতিটি কাজকে প্রায়োরিটি ওয়াইজ নাম্বার দিয়ে একটি লিস্ট তৈরি করুন । যেগুলোকে আপনাকে আজকের মধ্যেই কমপ্লিট করতে হবে । সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সেই লিস্ট অনুযায়ী কাজ করা শুরু করে দাও।  এবং ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি ঘুমাবেন না, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি রেস্ট করবেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সেই লিস্টের প্রতিটি কাজ কমপ্লিট হয় । বাজুক না রাত্রি বারোটা, একটা, বা দুটা, আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত ঘুমাবেন যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার লেখা সেই লিস্টের প্রতিটি কাজ কমপ্লিট হয় । 



Amra Bangali - আমরা বাঙালী ব্লগ 



আর।এইভাবে আপনি টাইমের সঠিক ব্যবহার  শিখতে পারবেন । এবং আপনি সময়ের গুরুত্বকে বুঝতে পারবেন । আপনার প্রোডাক্টটিভিটি আগের থেকে একশো গুণ বেশি ই হয়ে যাবে । এই ট্রিকটিকে অবশ্যই ট্রাই করবেন । কারণ সত্যিই এটি খুব ইফেক্টিফিটি একটি ট্রিক । এই সময় খুবই মূল্যবান এটি আপনাকে গড়তেও পারে আবার ভাঙতেও পারে । আর এটা সম্পূর্ণভাবে আপনার উপর ডিপেন্ড করবে । আপনি এটিকে ভালো কাজে লাগাবেন নাকি খারাপ কাজে লাগিয়ে ওয়েস্ট করে দেবেন একান্তই আপনার বিষয় । 



এই সময় হল এমন একটি জিনিস যা একবার যদি চলে যায় তাহলে আর কোনদিনই ফিরে আসবে না । এই পৃথিবীতে এমন কোন ধনি ব্যক্তি নেই যে , তার অতীত অর্থাৎ পার হয়ে যাবা সময়  কিনতে পারবে । আর নিশ্চয়ই এই পৃথিবীতে সকল মানুষ  (ধনী, গরিব) ব্যক্তি যে তার ভবিষ্যৎ কে অর্থাৎ আগামী সময়কে বদলাতে পারবেই পারবে । 

 জীবনের অনুপ্রেরণার গল্প


 এই কারণের জন্য সময় আপনাকে বদলে দেওয়ার আগেই আপনি সময়কে বদলে ফেলুন । হ্যাঁ, আরেকটি কথা কোনদিন নিজের টাইমকে অপরের টাইমের সঙ্গে তুলনা করবেন না । কারণ প্রত্যেককে নিজের আলাদা আলাদা টাইম টেবিলে চলে । যে কারনের জন্য কেউ পঁচিশ বছর বয়সেই বিলিনার হয়ে যায় । এবং পঞ্চাশ বছরে মারা যায় । কেউ আবার পঞ্চাশ বছর বয়সে বিলিয়নিয়ার   হয় এবং নব্বই বছর অব্দি বেঁচে থাকে। আবার কেউ পঞ্চান্ন বছর বয়সে রিটায়ার হয়ে যায় । আবার কেউ সত্তর বছর বয়সে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করে ।  

মোটিভেশনাল ছোট গল্প, অনুপ্রেরণার গল্প

তাই সময় নষ্ট না করে সময় টাকে নিজের কাজে লাগান । একদিন  দেখবেন এই সময়ের ফল পাচ্ছেন। এই ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর ছিলাম । আবারো কথা হবে নতুন একটি আর্টিকেল বা ব্লগে। ততো খুন সুস্থ থাকবেন। ( পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা - শাফায়াত অন্তর এর পক্ষ থেকে  ) আমরা বাঙালী - Amra Bangali

অনুপ্রেরণার গল্প( অবহেলা) Bangla Motivational Story 2021

অনুপ্রেরণার গল্প( অবহেলা) Bangla Motivational Story 2021

Bangla Advice story - WeBangali.com
Bangla Advice story - WeBangali.com



Table of Content (toc) 


শিক্ষনীয় ছোট গল্পঃ

আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষ থাকে , যারা আমাদের ছোট করতে , অপমান করতে কিংবা আমাদের বর্তমান অবস্থার উপর মজা করতে দুবার ভাবে না । হতে পারে কেউ কোনো একটা কাজে অতটা অভিজ্ঞ না হতে । পারে কারো আর্থি অবস্থা  অতটা ভালো না হতে পারে। কারো জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কয়েকবার ফেইল এসছে।  কিন্তু সেই মানুষগুলো সেই দুর্বলতার জায়গায় আঘাত করে তাদের ছোট করতেও কিছু পিছু টান হয়না।  তারা ভাবে না যে মানুষটাকে তারা বলছে, সে হয়তো অতটা ছোট থেকেই ট্যালেন্টেড নয়।  সেই মানুষটার এতে কত খারাপ লাগে,  কতবার অপমানে সবার থেকে আড়ালে গিয়ে সেই ছেলেটাকে বা মেয়েটাকে চোখের পানি ফেলতে হয় । 





তারা যখন ভাবে না তাদের কথা বাদ-ই দাও । চলো আমরা নিজেকে নিজেরাই এতটা স্ট্রং বানিয়ে ফেলি যাতে এরকম অপমান গুলো , এরকম মজা গুলো আমাদের কষ্ট আর না দিতে পারে । আজকে একটা এমন উদাহরণ দিয়ে তোমাদের এই ব্যাপারে মোটিভেট করার চেষ্টা করবো । যেটা তোমাদের সারাজীবন এরকম পরিস্থিতি গুলোতে নিজেকে স্ট্রং রাখতে সাহায্য করবে ।  তোমরা প্রত্যেক চেছ বা দাবা খেলার কথা নিশ্চয়ই জানো । দাবা খেলতে এক সাইডে প্লেয়ারের কাছে ষোলোটা গুটি থাকে । ষোলোটা গুটির মধ্যে বিভিন্ন ঘুঁটির পাওয়ার আলাদা,  তাদের দেখতে আলাদা, এবং তাদের এই দাবা খেলার মধ্যে ভূমিকা আলাদা আলাদা । 

কিন্তু এই ষোলটা গুটিকে মেনলি তিনটে ধাপে ভাগ করা যায় ।




এক নাম্বার ধাপ ,


 এই ষোলটা ঘুঁটির মধ্যে কিছু ঘুঁটি এমন থাকে , যাদের আমরা বর্ন ট্যালেন্টেড বলতে পারি , তাদের কাছে প্রথম থেকেই আলাদা আলাদা টাইপের ট্যালেন্ট থাকে । যেমন ড়ার কাছে আড়াই ঘর যাওয়ার ক্ষমতা থাকে, রানীর কাছে স্ট্রাইপড  আর কনাকুনির দুদিকেই যাওয়ার ক্ষমতা থাকে ।


 ঠিক আমাদের জীবনের মতো । আমাদের জীবনেও আমরা এরকম অনেক মানুষকে দেখি । যাদের কাছে প্রথম থেকেই কিছু না কিছু এমন ক্ষমতা থাকে । আবার সেটা অনেকের কাছে থাকে না । কারো কাছে হিরোর মতো সৌন্দর্য থাকে , কারো কাছে কোনো একটা ব্যাপারে প্রথম থেকেই প্রচুর ট্যালেন্ট থাকে , কেউ ছোট থেকেই অনেক চালাক চতুর বুদ্ধিমান হয় , আর ইত্যাদি ইত্যাদি ক্ষমতা থাকে । 




 দুই নম্বর ধাপ ,


এই ধাপে দাবা খেলাতে একটাই গুটি আছে যেটা হলো কিং বা রাজা । দাবা খেলাতে রাজা কিন্তু মাত্র এক ঘরেই যেতে পারে ।  তেমন কোনো অতিরিক্ত অর্ডিনারি ট্যালেন্ট কিন্তু তার কাছে থাকে না।  এমনকি কিছু কিছু সময় আসে, যে খুঁটির ভয়ে রাজা হওয়া সত্ত্বেও তাকে পিছু হটতে হয় । কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজাকে ঘিরেই কিন্তু সমস্ত খেলাটা চলে । 

আমাদের চারপাশেও এরকম কিছু মানুষ থাকে যারা কোনো কাজেই তেমন ব্যাবহার যোগ্য নয় । কিন্তু তা সত্ত্বেও তাদের ছাড়া আমাদের জীবন চলে না 




তিন নম্বর ধাপ ,


তিন নম্বর ধাপে দাবা খেলায় পুরো হল্ফ গুটি রয়েছে । সবচেয়ে ছোট এবং সবচেয়ে কম ট্যালেন্টেড অন্যের কথা অনুযায়ী তারা একেকটা  সৈনিক । যারা প্রথমে দু-দান যেতে পারে , এবং তারপর মাত্র একদান একদান করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।  এরা বর্ন ট্যালেন্টেড নয় এরা অতিরিক্ত কোনো ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়নি । কিন্তু শুধুমাত্র এদের কাছেই এমন কিছু আছে যা অন্য কারোর কাছে নেই । একমাত্র ওই ছোট সৈন্য-রা এক পা পা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে যদি শেষ ঘরে পৌঁছে যায় । তাহলে সে যেটা হতে চায়, সেটাই হতে পারে । এটার মানে যারা দাবা খেলেছো তারা তো জানোই, কিন্তু যারা কখনো খেলোনি তাদের জন্য বলে দিই । 






একটা সৈন্য যদি এক প্যাক  পাক করে একদম শেষ ঘর অব্দি পৌঁছে যেতে পারে, তাহলে সৈন্য থেকে আগের কাটা যাওয়ার যে কোনো গুটিতে বদলে যেতে পারে । সে রানী হোক বা ঘোড়া হোক কিংবা অন্য যে কোনো ঘটি হোক হতে পারে । তাকে অনেক সংঘর্ষ করে অনেক ধৈর্য ধরে এক প্যাক পাক করে সামনের দিকে এগোতে হয় । হতে পারে তাকে সব সময় সবচেয়ে কম ট্যালেন্টেড গুটি বলা হয় । কিন্তু স্ট্রাগেল এর শেষে একমাত্র সেই পারে ,  নিজেকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে ফেলতে । যেটা পুরো দাবার বোর্ডে অন্য কেউ পারে না । 






হয়তো  তুমিও জন্ম থেকে ট্যালেন্টেড না হতে পারো।  তোমার আজকে টাকা পয়সার অভাব রয়েছে , হতে পারে তোমার আজকের পরিস্থিতি নিয়ে অন্যরা মজা করছে , তোমাকে ছোট করছে , অপমান করছে ,  কিন্তু তুমি তাদের কোন কথাতেই কষ্ট পেয়ো না  বন্ধু ।  তুমি তোমার লক্ষ্যের দিকে এক  পা করে এগিয়ে যাও। দেখবে একদিন তোমার জীবনেও এমন দিন আসবে , যেদিন তোমার কঠোর পরিশ্রম এর পথটাও পেরিয়ে যাবে। আর তুমিও পৌঁছে যাবে তোমার স্বপ্নের জায়গায় ।  সেই ছোট্ট দাবা খেলার সৈনিকটার মত । আর যেদিন এটা ঘটবে সেদিন তুমিও নিজেকে সম্পূর্ণ নতুনরূপে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে । 




তুমি আজ যেটা হওয়ার স্বপ্ন দেখো, তুমি সেটাই হতে পারবে। যারা আজ তোমাকে ছোট করছে , তাদের কাছে আজকে তোমার থেকে এক্সট্রা কিছু আছে বলে  তারা হাজার চেষ্টা করলেও কিন্তু তোমার সেই অর্জন করা জায়গায় পৌঁছাতে পারবে না । সে  সেটাই পাওয়ার যোগ্য , যে সব কিছু সহ্য করে , ধৈর্য ধরে নিজের কাজটা করে গেছে । আর এটাই অপমানের এর থেকে সব চেওবড় বদলা ? 


আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর ছিলাম তোমার সাথে। এই আর্টিকেল টা যদি ভালো লাগলে  তাহলে অবশ্যই একটা কমেন্ট  ও শেয়ার করে দিও । আবারও কথা তোমার সাথে আরও একটি নতুন গল্পে। আজকের মতো এতটুকুই 

"ভালো থেকে আর ভালো রেখো "

Attitude Story (Attitude Golpo) Attitude গল্প ২০২১

Attitude Story (Attitude Golpo) Attitude গল্প ২০২১

bangla short motivational - WeBangali.com
bangla short motivational story - WeBangali.com



Table of Content (toc)



জীবনে হার না মানার এক শিক্ষনীয় গল্প 

 জীবনে কখনো তোতা পাখির মতো হয়ো না , যে অন্যের শেখানো কথা না বুঝেই নিজে রিপিট করে । তুমি হতে হলে পাখির রাজা ঈগল মতো হও ।  যে নিজের স্বপ্নের উড়ান নিজেই স্থির করে ।'  bangla inspiration status   '




 ঈগল এমন একটা পাখি যার থেকে আমরা এমন কিছু অ্যাটিটিউড শিখতে পারি , যা আমাদের জীবনে যে কোন ফিল্ডে আমাদের সফল বানিয়ে দিতে পারে । আজকে এরকমই Attitude  গল্প বলবো । যেগুলো আমরা ঈগলের থেকে শিখে , নিজের স্টুডেন্ট লাইফ থেকে শুরু করে ক্যারিয়ার পর্যন্ত সব জায়গায় এপ্লাই করতে পারি । আর সফলতার পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকতে পারি । এই গল্পটি শেষ পর্যন্ত পড়বে , কারণ এই Attitude গল্পটা তোমার লাইভ চেনজিং attitude হতে চলেছে। '   bangla inspiration story   '





 ১. একা চলার অভ্যাস



 একটা ঈগল সবসময় আকাশে একা একা উড়তে পছন্দ করে । কারণ সে কখনোই এমন কোন পাখিদের সাথে উড়ে বেড়ায় না,  যাদের উঁচু আকাশে উড়ার স্বপ্নই নেই । ঈগল জানে যে , তাকে অনেক উঁচুতে উঠতে হবে । আর অতো উঁচুতে সে হয়তো কাউকেই সঙ্গী হিসেবে পাবে না । তাই সে কখনোই একা উঠতে ভয় পায় না । যদিও বা তাকে কারোর সঙ্গে উঠতে হয়, তাহলে সেটা ঈগলই হয় ।'  বাংলা মোটিভেশনাল স্টোরি, বাংলা মোটিভেশনাল স্ট্যাটাস  '




 bangla motivation story, bangla short motivational





 আমাদেরও নিজের জীবনের স্বপ্নের পথে একা চলতে ভয় পাওয়া উচিত নয় ।  কারণ তোমার স্বপ্ন যদি বড়ো হয়, তাহলে যে মানুষেরা তোমাকে টেনে নিচে নামিয়ে দিতে পারে । তাই তাদের সঙ্গে একসাথে চলার চেয়ে একা চলা অনেক ভালো। আর যদি তোমাকে কারোর সাথে চলতেই হয়, তাহলে যার স্বপ্ন তোমার মতো বড়, যার লাইফের ভিসান তোমার সাথে ম্যাচ করে তাকেই নিজের সঙ্গী করো । 





২. ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ



এই যে ঈগল আকাশে এতো ওপরে নির্ভয় উড়ে বেড়ায় সেটা কিন্তু বিনা ট্রেনিং এ এমনি এমনি হয় না । আপনি কি জানেন,  ঈগল যখন ছোট থাকে, তখন তার মা তাকে নিজের থাবায় নিয়ে আকাশে বারো কিলোমিটার ওপরে উড়ে যায় । এবং সেই উঁচু জায়গা থেকে তাকে ছেড়ে দেয় । সেই বাচ্চাটা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাটির দিকে দু কিলোমিটার অলরেডি পুড়ে যায় । তারপর  তার পাখনা ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে । কিন্তু নয় কিলোমিটার আসতে আসতে সেই বাচ্চাটার পাখনা পুরোপুরি খুলে যায় । এবং সে প্রথমবারের জন্য তার ডানা মেলে উড়তে চেষ্টা করে । কিন্তু প্রথমবারেই কিন্তু উড়তে পারে না । তাই সে যখন মাটির কাছাকাছি চলে আসে তখন তার মা আবার তাকে নিজের থাবা দিয়ে ধরে ফেলে । এবং সেই ট্রেনিং ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকে, যতক্ষণ না সেই বাচ্চাটার নিজের সব ভয় কাটিয়ে আকাশে উড়তে শুরু করে । 





 আমরাও যদি জীবনে সফল হতে চাই তাহলে আমাদের কিন্তু অনেক স্ট্রাগল অনেক ট্রেনিং এর মধ্যে দিয়ে নিজেকে নিয়ে যেতে হবে । সেটা পড়াশুনার ক্ষেত্রে হোক, বা নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে হোক, অথবা বারবার হেরে যাওয়ার পরে , ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে৷ আমরা যত বেশি ট্রেনিং এর মধ্যে দিয়ে যাব, আমাদের মেন্টালিটি ততই স্ট্রং হবে । 





৩.  ফোকাস বা লক্ষ্য স্থির



ঈগল প্রায় পাঁচ কিলোমিটার উঁচু থেকে তার শিকারের উপর ফোকাস করতে পারে । আর সে যখন অতো উঁচু থেকে তার শিকারের দিকে নামতে থাকে , তখন তার রাস্তায় যাই বাধা আসুক না কেন , সে কিন্তু তার দৃষ্টি শিকারের দিক থেকে সরায় না । সে ততক্ষণ তার ফোকাস লক্ষ্য শিকারের উপরেই রাখে, যতক্ষণ না সে সেটাকে ছো মেরে না ধরতে পারে।'  উপদেশ মূলক গল্প, পরিশ্রমের সফলতা  '




 আমাদেরও এরকমই অ্যাটিটিউড রাখতে হবে । আমাদের সফল হতে গেলে নিজের লক্ষ্যের ওপরে ততক্ষণ ফোকাস রাখতে হবে যতক্ষণ না আমাদের সেই লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে । লক্ষ্য স্থির করা থেকে লক্ষ্য পূরণের পথে অনেক বাধা আসবে । কিন্তু কোন মূল্যেই আমাদের নিজেদের দৃষ্টি, লক্ষ্য থেকে সরানো যাবে না । 





৪. সময় বুঝে সঠিক স্থান নির্বাচন



 যখন ঝড় বৃষ্টি হয় তখন অন্য পাখিরা যে যার নিজের বাসার দিকে চলে যায়,  নিজেকে সেফ থাকার জন্য। এটা হলো তার সঠিক স্থান । কিন্তু একটা ঈগল অন্য পাখিদের মতো আরাম দায়ক বাসায়  বসে থাকে না । সে সেই ঝড়ের হাওয়াকেই কাজে লাগিয়ে , ঝর বৃষ্টি মেঘের ওপরে উড়ে বেড়ায় । যখন তার কোনো শক্তি লাগে না । এটা হলো ঈগলের সঠিক স্থান। 



আমাদের লাইফেও যখন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ আসে । আমাদেরও উচিত, নিজের সঠিক স্থাননে থাকা । আর যারা ঈগলের মতো তারা বসে না থেকে সেই সব চ্যালেঞ্জ গুলোকে ফেস করবে । আর এতে এতটা সফল হয়ে যাবে যাতে তাদের সামনে আসা যে কোনো  বাধা মোকাবিলা তাদের কাছে খুব ছোট বলে মনে হবে । 



৫. নির্ভীক মনোভাব বা ফেয়ারলেস অ্যাটিটিউড



 একটা ঈগল তার থেকে বেশি শক্তিশালী আর তার থেকেও বেশি ওজন ওয়ালা শিকারের সাথে লড়াই করতেও ভয় পায় না । সে তার শিকারের ওজন সাইজ দেখে কখনোই পিছু টান হয়না। সে তার শেষ শক্তি অবধি তাকে টক্কর দেয় ।' জীবনের অনুপ্রেরণার গল্প,  শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার গল্প '


ঠিক  সফল মানুষেরাও এরকমই নির্ভীক  হয় । তারা তাদের লাইফে আসা সমস্যার  দেখে কখনোই পিছু টান  দেয় না । তারা প্রবলেম এর সাথে ফাইট করার অ্যাটিটিউড রাখে । 





৬. কামব্যাক অ্যাটিটিউড বা প্রত্যাবর্তন মনোভাব



 একটা ইগোলের যখন চল্লিশ বছর বয়স হয়ে যায় । তখন তার ঠোট, পাখনা আর হাতের নখ দুর্বল হয়ে যায়। সেগুলো শিকার ধরার মতো অবস্থায় থাকে না । আর তার পাখনা দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে সে আগের মতো অত উঁচুতে অতক্ষণ ধরে উড়তেও পারে না । তখন তার কাছে দুটো রাস্তা থাকে ।  এক হচ্ছে অন্যের ফেলে যাওয়া খাবার খেয়ে যে কদিন বাঁচা যায় , সে কদিন বাঁচা । আর দুই হচ্ছে একটা কঠিন রাস্তাকে অতিক্রম করে আবার কামব্যাক করা এবং আরও তিরিশ বছর রাজার মতো বাঁচার।  ঈগল কি করে দুই নম্বর রাস্তাটা বেচে নেই। সে কিছু খাবার সঞ্চয় করে উড়ে যায় একটা উঁচু পাহাড়ে । সেখানে গিয়ে বাসা বানায় আর নিজের কামব্যাক করার ট্রেনিং শুরু করে ।' শিক্ষনীয় গল্প '




সবার প্রথমে সে নিজের কমজোরি ঠোঁটকে পাহাড়ের পাথরে মেরে মেরে ভেঙ্গে ফেলে । এরপর সে অপেক্ষা করে নতুন ঠোঁট ওঠার।  নতুন ঠোঁট গজিয়ে গেলে সে তার হাতের নখকে একই ভাবে পাথরে মেরে মেরে ভেঙে ফেলে , আর অপেক্ষা করে নতুন নখ গজানোর । নতুন নখ গজিয়ে গেলে সে তার ভারী আর দুর্বল হয়ে যাওয়া পাখনা গুলোকে একে একে শরীর থেকে ছিঁড়ে ফেলে , এটা তার জন্য খুবই কষ্ট দায়ক হয় । সে তার সব কষ্ট সহ্য করে অপেক্ষা করে নতুন পাখনা গজানোর । আর এই টোটাল প্রসেস একদিন, দুদিন বা দশ দিন সময় লাগে না । এই টোটাল প্রসেসটা কমপ্লিট হতে সময় লাগে প্রায় একশো পঞ্চাশ দিন । প্রায় পাঁচ মাসের সংঘর্ষের পরে আকাশের রাজার পুনর্জন্ম হয় ।' শিক্ষনীয় গল্প facebook '


 সে আবার আগের শক্তি আর attitude নিয়ে নিজের এলাকায় কামব্যাক করে । আর রাজার মতোই আরো তিরিশ বছর বেঁচে থাকে ।



 

  , সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প ,  



 আমাদের জীবনেও কিন্তু অনেক সময় এমন কিছু কিছু  ফেইলার মুহূর্ত আসে । যা আমাদের ক্যারিয়ার ট ভেঙে রেখে দেয় , তখন কিন্তু আমাদেরও মনে হয় যে আর বোধহয় সেখান থেকে  ফিরে আসা সম্ভব নয় । কিন্তু তখন যদি আমরা এরকম ঈগলের মত অ্যাটিটিউড রাখতে পারি নিজেকে আবার নতুন করে গড়ে তুলতে পারি, তাহলে কিন্তু আমরাও আবার ফিরে আসতে পারবো । আর সেটা রাজার মতোই । হয়তো তাতে কষ্ট অনেক হবে, হয়তো তাদের অনেক ধৈর্য  ধরতে হবে ।  কিন্তু সেগুলোকে পার করতে পারলে কামব্যাকটাও কিন্তু সাধারণ কারোর মতো হবে না । সেটাও কিন্তু রাজার মতো হবে । কার কথায় আছে কষ্টের ফল সব সময় মিষ্টি হয় । '   শিক্ষনীয় গল্প, শিক্ষনীয় গল্পসমূহ   '





তো বন্ধু,  আমি তোমায় আবারও বলব যে, নিজের  Attitude টা ধরে রেখো। সেটা সম্পর্ক ক্ষেত্রেই হোক বা ক্যারিয়ার হোক ক্ষেত্রে ।  শিক্ষনীয় গল্প ও শিক্ষামূলক ঘটনা, 

এই গল্পটি ভালো লাগলে একটা শেয়ার অবশ্যই করে দিও । তার সাথে তোমার মূল্যবান কমেন্ট করবে।কারন তোমার একটি কমেন্ট আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা স্বরুপ। 'মোটিভেশনাল ছোট গল্প, অনুপ্রেরণার গল্প '

 আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে 'আমি অন্তর'। আজকের মতো এইটুকুই, খুব তাড়াতাড়ি আবারও কথা হবে  আরও একটা নতুন আর্টিকেলে , ভালো থেকে ভালো রেখো-আমরা বাঙালি উট কম

পড়া নিয়ে কত কথা[ওভার থিংকিং] মোটিভেশানমূলক গল্প WeBangali.com

পড়া নিয়ে কত কথা[ওভার থিংকিং] মোটিভেশানমূলক গল্প WeBangali.com

পড়া লেখা নিয়ে অনুপ্রেরণার গল্প , amra bangali
পড়া লেখা নিয়ে অনুপ্রেরণার গল্প 


Table of Content (toc)


পড়া লেখার টিপস ২০২১


 যখনই পড়তে বসি তখনই মনে পড়ে বেস্ট ফ্রেন্ডের কথা  , গার্লফ্রেন্ডের কথা , মনে পরে খেলার করার কথা , ফেসবুকের  কথা, মনে হয়ে যায় ওয়েব  সিরিজ দেখা,  আরও কত কি ?


 যখনই পড়তে বসি মনে হয় পড়াশুনাটা কেন এত বোরিং ? যখনই পড়তে বসি, মনে হয় সিলেবাসটা কেন এত বড় ? যখনই পড়তে বসি বই খোলার দশ মিনিট পরেই বই বন্ধ করে রেখে দিতে ইচ্ছে করে। বই নিয়ে তো দিনে আট ঘণ্টা বসে থাকি, সবাই ভাবে পড়ছি, কিন্তু কেউ তো ভেতর-কার আসল খবরটা জানে না । বই তো খোলা থাকে আট ঘন্টা , কিন্তু তার মধ্যে টেনেটুনে এক ঘণ্টাও পড়ি কিনা সন্দেহ ।  সাত ঘণ্টা তো ওভার থিংকিং, ওভার থিংকিং , আর ওভার থিংকিং । "পড়া লেখা নিয়ে অনুপ্রেরণার গল্প "





বন্ধু এটা আমার তোমার বা কোনো  একজনের কথা বা গল্প নয়। এটা আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ স্টুডেন্ট এর-ই গল্প । সারা বছর তো আমরা পড়তে বসে, পড়ার টেবিলে-ই পড়া ছেড়ে নিজের গোল ছাড়া নিজের লাইফ এর পারপাস ছাড়া বাকি সব ব্যাপারে চিন্তা করে থাকো । আর নিজেকে ফুল স্যাটিসফাইড দেও,  যে আমি ডেইলি আট ঘণ্টা করে বই নিয়ে পড়া শোনা করেছি । আর যখন কোন টপার বন্ধুকে জিজ্ঞেস করো সে বলে , আমি তো মাত্র চার ঘণ্টা করে পরেই টপ করে ফেলেছে । তখন তুমি মনে মনে বল সালা চালাক কোথাকার শুধু মিথ্যে বলে । কিন্তু সে সবসময় কিন্তু মিথ্যে বলে না । সে তার চার ঘণ্টাই বই নিয়ে বসে ওভার থিংকিং, করার কথা বলে না ।  কিন্তু সে চার ঘন্টা মন দিয়ে পড়ার কথা বলে । 



পড়াশোনা হোক কিংবা কাজ, অতিরিক্ত পরিমাণের থেকে সর্বদাই সঠিক পরিমাণ  কিন্তু বেশি বেটার হয়। একজন মানুষ আধঘন্টা, দশ ঘণ্টা কিংবা বারো ঘণ্টা বই নিয়ে বসে থেকেও যতটা জ্ঞান অর্জন করতে পারবে না  , হয়তো ঠিক  অন্য একজন মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘন্টা পরেই তার থেকে অনেক বেশি জ্ঞান অর্জন  করতে পারবে ।




তবুও একটা প্রশ্ন থেকে যায় আমি কোন সাবজেক্ট কতটা সময় ধরে পড়ব 




এই প্রশ্নে আমি বলব যে , এই কোশ্চেনটার মধ্যেই কিন্তু একটা বড় ভুল রয়েছে, তুমি কত ঘন্টা পড়ছো সেটাই ফোকাস করার বদলে, সব সময় তুমি দেখো বা ভাব যে, আমি কি  মনোযোগ দিয়ে পড়ছি,  না মনোযোগ সহকারে পড়ছি না ?  মনোযোগ এর সঙ্গে দিয়ে পড়  আর তুমি তোমার  টাইম টা বেধে নেও যে, ওই টাইম বা ওই সময়  টা নিশ্চিত করো যে , ওই এক ঘন্টা পৃথিবীর কোনো ভাবে তুমি ডিস্টার্ব  না হও । যাতে তোমাকে কেউ ডিস্টার্ব  করতে না পারে । ওই এক ঘন্টা না ফেসবুক না, হটস অ্যাপ না , গেম  না , কোন বন্ধু না বা আর না অন্য যেকোনো বিষয়ে চিন্তা করা যাবে না ? 





সারা বছর প্রচুর পড়ার পরেও যদি দেখো যে , তোমার মনে হচ্ছে কিছুই তেমন পড়া হয়নি, তাহলে বুঝে নিও যত গন্ডগোল মূল ওভার থিংকিং আর সোশ্যাল মিডিয়ার ডিসট্রাকশন পাকিয়েছে।  এই দুটো জিনিসকে ইচ্ছে মতো ব্যবহার করে দেখো, তুমি যতটা টাইম পড়ো তার হাফ টাইম পরেই তুমি অনেক বেশি প্রোডাক্টিভিটি দিতে পারবে । যদি তুমি পড়তে বসার আগে পাঁচ মিনিট সোজা সুজি হয়ে বস ,  চোখ বন্ধ করে নিজের নিঃশ্বাসের উপর ফোকাস  কর,আর নিজের মন কে শান্ত ও চিন্তা মুক্ত করো । নিজের মাইন্ডকে অ্যাপোর্মেশন দাও, যেই এক ঘন্টা ফুল মনোযোগ এর সঙ্গে শুধুই পড়বো । তারপর পড়তে শুরু করো , এক ঘন্টা পড়ার পরে দরকার হলে পনেরো মিনিটের ব্রেক নিয়ে নাও । আর তারপর সেম প্রসেস  আবার রিপিট করো । "পড়া লেখা নিয়ে অনুপ্রেরণার গল্প "





অনেকেই অনেক রকম বলে 



এই যে অনেকে বলে না এই ছেলে বা মেয়ে অনেক কম টাইম পরে অনেক বেশি ভালো রেজাল্ট করেছে ।  তার আসল রহস্য কিন্তু এটাই । আসলে সে কিন্তু কম টাইম পড়লেও সেই সময় শুধুই পড়েছে । আর বাকিরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর সমস্ত চিন্তাও করেছে ।  এর মধ্যে ফেসবুক ও করেছে গেমও খেলেছে, সুযোগ পেলে একটু ঘুমিয়েও নিয়েছে । কিন্তু তুমি অনেক বুদ্ধিমান তুমি নিশ্চয়ই এবার থেকে তাদের মতো করবে না । তুমি স্মার্টলি কাজ করবে, তুমি নিশ্চয়ই এবার থেকে পড়ার টাইমে শুধুই পড়বে ।  সামনে অনেকেরই এক্সাম আসছে , তাই তোমরা এক্সামের আগে এক্সাম রিলেটেড কি কি প্রবলেম এর  মধ্যে আছো তা আগে থেকে সলভ করে ফেল। "পড়া লেখা নিয়ে অনুপ্রেরণার গল্প "



  আমাদের চাওয়া


আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর, তোমাদের কাছে আমার চাওয়া যে, এই আর্টিকেল টি তোমার সকল বন্ধুদের কাছে শেয়ার করে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিও ।  তোমরা যখন এক একটা শেয়ার করো না সেগুলো আমার জন্য অনেক মোটিভেশন স্বরূপ।  

(নিজের মুল্য)-একটি উপদেশমূলক গল্প |  Bangla Advice Story-WeBangali | আমরা বাঙালী

(নিজের মুল্য)-একটি উপদেশমূলক গল্প | Bangla Advice Story-WeBangali | আমরা বাঙালী

 

মোটিভেশনাল ছোট গল্প"webangali.com
মোটিভেশনাল মূলক ছোট গল্প"webangali.com



অনুপ্রেরণামূলক গল্প

সিহাব নামের একজন ছেলে  , একবার একটা বড় কারখানায় মিস্ত্রির পোস্টে জয়েন করে । তো তার ট্রেনিং শুরু হয় সেই কারখানাযর হেড সুপার ভাইজারের আনডারে । এর মধ্যে সিহাব মোটামুটি এক মাসের মধ্যেই দারুণ কাজ শিখে যায় । আরো মাস দুয়েক পর, যে হেড সুপার ভাইজার ছিলেন, তিনি রিটায়ার্ড  হয়ে যান। এজন্য বড় করে গ্র্যান্ড সেলিব্রেশন করে তাকে ফেয়ার ওয়েল জানানো হয়। সেই হেড সুপারভাইজার  এর নাম ছিল মহেশ বাবু । সিহাব তার কলিগ  দের থেকে জানতে পারে , যে এই মহেশ বাবু আমার  থেকেও নিচের পোস্টে একজন হেল্পার এর পোস্টে জয়েন করেছিল । এবং কাজের মাধ্যমে ধীরে ধীরে প্রোমোশন পেয়ে হেল্পার থেকে মিস্ত্রি, তারপর হেডমিস্ত্রি তারপর সুপারভাইজার  এবং সে হেড সুপারভাইজার হয়ে তার পরে রিটায়ার্ড  করেন  । 


উপদেশমূলক গল্প , 

আর তিনি কোম্পানির মালিকের এত প্রিয় ছিলেন যে , কোম্পানির মালিক তাকে ছাড়া একা চলতে পারত না । আর সেই কারণেই এত গ্র্যান্ড সেলিব্রেশন করে তাকে ফেয়ার অয়েল দেওয়া হলো।  তো যাই হোক সিহাব এগুলো শুনে অনুপ্রাণিত হয়ে আরো মন দিয়ে কাজ শুরু করে । এবং সে ভাবতে থাকে যে , যদি মহেশ বাবু এই জায়গায় থেকে ওই জায়গায় হতে পারে তাহলে আমিও একদিন আমার স্বপ্নের হেড সুপারভাইজার পোস্টে অবশ্যই পৌঁছতে পারব  । প্রতিবছর শেষে যখন প্রোমোশনের লিস্ট বেরোয় তখন সে ভাবতে থাকে যে , আমার নাম এ বছরে অবশ্যই প্রমোশনের লিস্টে থাকবে , কিন্তু প্রতি বছরের তাকে নিরাশ হতে হয় । এবং এইভাবে এক বছর দু বছর নয় বিনা প্রমোশনে এ তার একই পোস্টে পাঁচ বছর কেটে যায়  ।  "amra bangali"

 

এর পর এক মিস্ত্রির প্রমোশন হয়ে যাচ্ছে । কিন্তু তার আর কিছুতে প্রমোশন  হচ্ছে না । অথচ সে কিন্তু তার কাজে কোন রকম খামতি রাখে না । পাঁচ বছরের টোটাল তার শরীর খারাপের জন্য ম্যাক্সিমাম দশ থেকে পনেরো দিন ছুটি নিয়েছিল । বাকি সে একদম ফুল মনোযোগ এর সঙ্গে কোম্পানিতে কাজ করে যায় ।  তা সত্ত্বেও বস এর যেন তাকে চোখেই পড়ে না । তো পাঁচ বছর এইভাবে কেটে যাওয়ার পর সে ঠিক করে যে ,  সে মহেশ বাবুর কাছে পরামর্শ নিতে যাবে । যখন উন্নতি হচ্ছে না তখন অভিজ্ঞ এর পরামর্শ নেওয়াই উচিত । তো যাই হোক, সে একটা ছুটির দিন দেখে মহেশ বাবুর বাড়িতে চলে যায় । মহেশ বাবু তাকে ঘরে ডাকে, বসায়, চা-ঠা খাওয়ায় এবং তাকে জিজ্ঞেস করে যে বল তোমার সমস্যা কি ? তো সিহাব তাকে টোটাল ব্যাপারটা খুলে বলে। সিহাব বলে যে , আপনি তো জানেন যে আমি কতটা মনোযোগ  দিয়ে কাজ করি, আমি ছুটিও নিই না, কাজে খামতিও রাখিনা, কিন্তু তা সত্ত্বেও পাঁচ বছর কেটে গেল, একবারও আমার প্রমোশন  হলো না  । "আমরা বাঙালি"


কেউ আমায় পাত্তা না দিলে আমি কি করব ? 

আমার পাশ দিয়ে আমার কত কলিগের   প্রমোশন হয়ে গেল, কিন্তু আমি যে পোস্টে এ জয়েন করেছিলাম, এখনো সেই পোস্টে এই থেকে গেলাম । এই বছরটাও শেষ হতে চলল আর আমি আমার ভাগ্যকে আমি জানি , যে আমার প্রোমোশন আর হবে না ।  তাই আপনার কাছে এসেছি আপনি কিছু অ্যাডভাইস দিন যাতে এই বছরটা অন্তত প্রোমোশান হয়ে যায় । এই সব শুনে সেই হেড সুপারভাইজার বললেন যে , তোমাকে সবার আগে তোমার মালিকের কাছে নিজের ভ্যালু বাড়াতে হবে । তোমার মালিককে বোঝাতে হবে যে তোমাকে ছাড়া তার কোম্পানি অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে। তো সিহাব বললো কি করে সেটা করব ? তো মহেশ বাবু বললেন যে , তুমি যে কারখানায় কাজ করো, সেখানে সব চল্লিশ থেকে পঞ্চাশটা বাল্ব জ্বলে ।  তো সেই বাল্বগুলো মাসের পর মাস জ্বলতে থাকে সেগুলোকে কখনো খোলা হয় না, পরিষ্কার করা হয় না , সেগুলোর উপর ধুলো জমে যায় । 



 যখন সেই সবগুলো বাল্বের মধ্যে কোনো একটা  বাল্ব এর উপর স্পেশালি ভাবে সবার নজর যায় । যখন কোন একটা বাল্ব অনেকদিন ধরে চলতে চলতে হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায় ,  তখন সবার খেয়াল পড়ে যে , ওই জায়গায় একটা বাল্ব জ্বলছিল যার তলায় কাজ হচ্ছিল এবং সেই বাল্বটা বন্ধ হয়ে গেছে বলে সেখানে কাজটা হবে না । 


ঠিক এমন টাই হয়েছে তোমার সাথে। তোমার মালিকও তোমার অভাবটা কোনদিন বুঝতে পারেনি । কাজ তো করেছ খুব ভালো, কিন্তু তোমার মালিক কে বোঝাতে পারোনি, যে তোমাকে ছাড়া তোমার মালিকেরও চলবে না । তো তুমি এক কাজ করো, তুমি কালকে গিয়ে সাত দিনের ছুটি নিয়ে নাও ।  এবং সাতদিন পরে আবার জয়েন করে কাজ শুরু করে দাও ।  এই সাত দিন তোমার মালিক কে বুঝতে দাও যে তোমার কাজটা তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তখন সিহাব মহেশ  বাবুকে তাড়াতাড়ি করে ধন্যবাদ বলে চলে গেল ফ্যাক্টারিতে। "মোটিভেশনাল ছোট গল্প"



সিহাবের প্রমোশন পাওয়ার পর কি হলো ... 


সিহাব ছুটির দরখাস্ত দেবে বলে দ্রুত মহেশ বাবুর বাড়ি থেকে চলে আসে। কিন্তু মহেশ বাবু তখনও কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল , যেটা সিহাব না শুনেই চলে যায়। তো যাই হোক সে দরখাস্ত দিয়ে ছুটি নিয়ে তো বাড়ি চলে গেল । এদিকে কোম্পানিতে একদিন দুদিন কেটে গেল , কোন সমস্যা হয়নি ।  কিন্তু তিন নম্বর দিন এমন একটা প্রবলেম এলো যেটা ওই ছেলেটা মানে সিহাব ছাড়া কেউ করতে পারবে না ।  তো সবাই মিলে অনেক চেষ্টা করলেও প্রবলেম টা সলভ করতে পারল না। কিন্তু যখন একদমই করতে পারলো না, তখন মালিকের কাছে খবর দিল ।  মালিক সেদিন বুঝতে পারল যে সিহাব তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ । সে সিহাব কে দ্রুত ডেকে পাঠালো৷ সিহাব এসে প্রবলেম টা সলভ করে দিল । এবং মালিক  তাকে একটা পোস্ট উপরে প্রমোশন করে দিল । 


এজন্য তো সিহাব বিশাল খুশি , সে বুঝে গেল যে মহেশ বাবুর কথা টা  ঠিক কাজ করে গেছে । যতই হোক, এত অভিজ্ঞতা একজন মানুষ সে বুঝতে পারলো যে কিভাবে সবার নজরে আসতে হয় এবং কিভাবে প্রোমোশন পেতে হয় । মোটিভেশনাল ছোট গল্প"



তো সিহাব এই টা বুঝার পর থেকে, প্রতি দু তিন মাস পর পর এরকম তিন চার দিন ছুটি নিয়ে চলে যেত ।  তো সেই ছুটিতে থাকাকালীন কোন প্রবলেম হলে তাকে ডাকা হতো । আর তাকে কল করে একটু খোসামোদ করা হতো প্রবলেমটা সলভ করে দেওয়ার জন্য । সে প্রবলেমটা সলভ করতো এবং বিশাল আনন্দে থাকত। এইভাবে আরো এক বছর কেটে গেল এবং এক বছর পরে কোন কারণ ছাড়াই একবার অমিত চার দিনের ছুটি নিয়ে বাড়িতে বসে । তো সে যখন ছুটি কাটিয়ে কারখানায় ফিরল, মালিক তাকে ডেকে হাতে একটা লেটার ধরিয়ে দিল । সিহাব ভাবলো তার আরও একটা প্রোমোশন হয়েছে ।



 কিন্তু সে যখন লেটারটা খুলে দেখল, সে দেখল তাতে লেখা আছে যে তাকে কোম্পানি থেকে বাদ করে দেওয়া হচ্ছে । কারণ সে অত্যাধিক বেশি ছুটি কাটায় , তো লেটার দেখে তো সিহাবের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল । সে কি করলো, ওই লেটার নিয়ে আবারও মহেশ বাবুর কাছে দৌড়ালো । মহেশ বাবুকে গিয়ে বলল যে আপনি কি উপদেশ দিলেন তাতে তো আমার প্রমোশন হল, এবং তারপর আমাকে এক বছর পর কোম্পানি থেকে আমাকে বের করে দিল, 

 

মহেশ বাবু যা বললেন...

সেদিনকে যখন আমি কথাগুলো বলছিলাম, তখন তুমি এত বেশি এক্সাইটেড হয়ে গেছিলে যে আমার পুরো কথা না শুনেই তুমি চলে গেছিলে। এবং তারপর থেকে একবারও আমার সঙ্গে দেখা করোনি। এখন সবার আগে তোমাকে একটা বড় উপদেশ দিই । 


যে , অর্ধেক জ্ঞান জ্ঞানহীনের  থেকে বেশি সাংঘাতিক । তাই কোনো একটা বিষয়ে পুরোটা না শুনে , না বুঝে  কখনোই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক না। সেদিনকে ওই কথাগুলো বলার পর আমি আরো একটা কথা তোমাকে বলতাম । কিন্তু তুমি বাকি টা না শুনেই চলে গেছ। আমি সেদিন তোমায় এই কথাটাই বলতে চেয়ে ছিলাম। 



আচ্ছা তোমার মনে আছে কি ? তোমাকে  সেদিনকে বাল্বের উদাহরণ  টা দিয়েছিলাম। তাতে কি বলেছিলাম যে, একটা বাল্ব যদি দিনের পর দিন একভাবে জ্বলে থাকে তাহলে হয়তো অনেক সময় তাকে কেউ লক্ষ্য করে না ।  কখন তাকে লক্ষ্য করা হয় ?  যখন সে অনেকদিন একটানা জলার পর হঠাৎ করে অফ হয়ে যায় । কিন্তু সেই বাল্বটাই যদি কিছুদিন পর পর একবার করে অফ হয়ে যায়, তখন তাকে কি করা হয়  ? তাকে একবার দেখা হবে, দুবার দেখা হবে, পাঁচবার দেখা হবে।  কিন্তু যখন বোঝা যাবে যে, তাঁর বারবার অফ হয়ে যাওয়ার কাজের খুব অসুবিধা হচ্ছে , তখন  তাকে ওখান থেকে চেঞ্জ করে একটা নতুন বাল্ব সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হবে । 


তোমার সাথেও কিন্তু ঠিক এই একই জিনিস ঘটেছে. তুমি একবার ছুটি নিয়ে তোমার মালিককে বুঝিয়ে দিয়েছিলে যে তোমার মূল্যটা তার কাছে কতটা।  কিন্তু বারবার একই ভাবে কোনো কারণ ছাড়াই ছুটি নিয়ে , তুমি কিন্তু তোমার কোম্পানির কাজেরই অসুবিধা করেছ।  তোমাকেও একবার , দুবার , পাঁচবার , সাতবার , দেখা হয়েছে তারপর যখন বোঝা গেছে যে তুমি এটা ইচ্ছে করে করছো।  তখন তোমাকে সেখান থেকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। 


মোরাল বা নৈতিকতা;

আসলে আমাদের লাইফেও কিন্তু মাঝে মাঝে  সিহাবের মতো ঘটনা ঘটে । সেটা , সম্পর্কের ক্ষেত্রেও হতে পারে কিংবা ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে  হতে পারে। আমরা অনেক সময় একটা সম্পর্ক কিংবা একটা ক্যারিয়ার  এ নিজের ক্ষমতা হান্ড্রেড পার্সেন্ট হয়।  কিন্তু তা সত্ত্বেও অপরদিকে মানুষটা আমাদের ভ্যালু দেয় না। তো এরকম সিচুয়েশনে আমাদের কি করা উচিত ? অপরদিকের মানুষটা যাতে আমাদের মূল্যটা বুঝতে পারে সেই জন্য নিজেকে একটু খানি সরিয়ে নিয়ে আসা উচিৎ । যাতে আমাদের অনুপস্থিতিতে সে আমাদের রিয়েল ভ্যালুটা বুঝতে পারে ।"মোটিভেশনাল গল্প"



 কিন্তু কখনোই এই সুযোগটার অপব্যবহার করা উচিত নয় ।  আমাদের সবসময় একটা ব্যালেন্স করে চলা উচিত । আমরা যখনই এই সুযোগের অপব্যবহার করব, তখনি কিন্তু আমাদের ঠিকই  পস্তাতে হবে । সেটা সম্পর্কের ক্ষেত্রে হোক কিংবা ক্যারিয়ার এর ক্ষেত্রে হোক । মনযোগ তো আমাদের দিতেই হবে।  প্রচেষ্টা  আমাদের হান্ড্রেড পার্সেন্ট ই দিতে হবে । কিন্তু একটু ব্যালেন্স  করে । কারণ একটা ব্যালেন্স লাইফ-ই পারে আমাদের রিয়াল ভ্যালু সবচেয়ে বেশি বাড়াতে । "অনুপ্রেরণামূলক গল্প"



 আর জীবনে সফল হওয়ার জন্য এটা কিন্তু একটা বড়ো ফ্যাক্টর। তো তোমাদের এই ব্যাপারে কি মতামত কমেন্ট এ অবশ্যই জানাবে। আর এই পোস্ট টি তোমার সকল কাছের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিও ।  আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর, আবারও নতুন কোনো গল্পে তোমার সাথে কথা হবে। ভালো থেকে  আর ভালো রেখো । "WeBangali"

সময় গেলে সাধন হবে না(সময়)Bangla Motivational Story - উপদেশ ও অনুপ্রেরণামূলক গল্প | amra bangali

সময় গেলে সাধন হবে না(সময়)Bangla Motivational Story - উপদেশ ও অনুপ্রেরণামূলক গল্প | amra bangali

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প


 

[সময় গেলে সাধন হবে না] Bangla Motivation Story - উপদেশ ও অনুপ্রেরণার গল্প
অনুপ্রেরণামূলক ছোট গল্প


অনুপ্রেরণামূলক গল্প

মাহির নামের একটা ছেলে সারা বছর ঘুরে ফিরে আনন্দ করে অলসতা করে সময় নষ্ট করেছিল । তার মা তাকে পড়ার জন্য কিছু বললেই  বলে কোনো সমস্যা নেই আমি পরিক্ষায় পাস হয়ে যাব। মাহির  না তো সে মায়ের কথা কোনদিন শুনেছে , আর না তো নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেছে। সারা বছর না পড়লে পরীক্ষায় লিখতে পারবে না, এটা তো স্বাভাবিক । তাই যেটা হওয়ার ছিল সেটাই হয়েছে । তার ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্ট বেরিয়েছে সে রেজাল্ট আন্তে গিয়ে দেখে সে ফেল করে গেছে। রেজাল্ট দেখার পর তার সবকিছু যেন বদলে যায়, সে একদম শান্ত হয়ে যায়। আর স্কুলেই দাঁড়িয়ে থাকে। আর ঘর পর্যন্ত যাওয়ার যেন তার সাহস নেই ।


ঠিক তখনই তার মায়ের কথা মনে পড়ে। সারা বছর ধরে তার মায়ের পড়তে বসার কথা বলা তার মনে পড়ে। তখন মনে পরে কোনো কিছু চাইতেই সব কিছু এনে দেওয়া বাবার কথা । সে নিজের সারা বছর ধরে করা ভুল বুঝতে পারে , আর ছুট্টে বাড়িতে চলে যায় । বাড়ি গিয়ে তার মাকে জড়িয়ে ধরে খুব কাঁদে, মা জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে ? রেজাল্ট কি খারাপ হয়েছে ? মাহির কাঁদতে কাঁদতে বলে খারাপ না মা আমি পরীক্ষায় ফেল করে গেছি। তার মা তাকে শান্ত করে বলে ঠিক আছে ফেলি তো করেছিস । হেরে তো আর যাসনি !!  এখনো তোর কাছে অনেক সময় আছে জীবনে বড় কিছু করার জন্য।  যা হাত মুখ ধুয়ে এসে খেতে বস। 



মাহিরের রেজাল্টের পরে কি হলো........

মায়ের মুখে এরকম কথা শুনে মাহির মনে একটু সাহস পেল। কিন্তু তা সত্ত্বেও তার মন কেমন যেন অস্থির হয়ে রইল । সন্ধ্যেবেলা হঠাৎ তার বাড়িতে তার দুজন আত্মীয় , আর দুজন প্রতিবেশী ঘুরতে এলো ।  সারা বছর কখনো আসে না তার রেজাল্ট এর দিনেই এলো । মাহির  তার নিজের ঘরে চুপচাপ বসে ছিল।বসে বসে ভাবছিল এরা আমার কাছে পরীক্ষার রেজাল্ট না জিজ্ঞেস করে বসে।  সে ভাবছিল কি ভাবতে ভাবতেই তার এক আত্মীয়  তার নাম ধরে ডাক দিল। মাহির আস্তে আস্তে সেই ঘরে গেল।সেখানে  যাওয়া মাত্রই তারা মাহির কে  জিজ্ঞেস করলো কিরে তোর আজকে রেজাল্ট বেরোনোর ছিল না ? কেমন হলো রেজাল্ট ? মাহির বুঝে উঠতে পারছিল না সে কি বলবে ? সে কিছু বলতে যাবে তার আগে তার মা সেই আত্মীয় দের আর প্রতিবেশীদের বলল মাহিরের রেজাল্ট খুব ভালো হয়েছে । ও সব সাবজেক্টে খুব ভালো মার্কস পেয়েছে । 



 মায়ের মুখে এরকম কথা শুনে মাহির খুব অবাক হয়ে গেল। ওরা চলে যাওয়ার পর মাহির তার মাকে চেঁচিয়ে বলল, কেন তুমি মিথ্যে বলতে গেলে ? বলে দিতে সত্যি কথা, বলে দিতে আমি ফেল করেছি। ওরা আমাকে খারাপ ভাবলে ভাবতো , এবার কোন কারণে যদি ওরা জানতে পারে যে তুমি মিথ্যে বলেছো , তাহলে তোমাকে ওরা কত খারাপ ভাববে বলো তো। মাহিরের মা একটু হেসে বলল , মনে রাখিস তুই আজকে স্কুলের পরীক্ষায় কিছু নাম্বারের জন্য ফেল করেছিস , জীবনের খেলায় নয় । আমি বিশ্বাস করি যে তুই আজকে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছিস৷  আমি বিশ্বাস করি যে,  তুই আর কখনো কোন  ক্লাসে এবছরের মতো ফাঁকি মারবি না । আমি বিশ্বাস করি তুই তোর মায়ের বলা এই ছোট্ট মিথ্যেটাকে সারা জীবন সত্যি করে দেখাবি ।


মোটিভেশনাল ছোট গল্প

 এগুলো শোনার পর মাহির সম্পূর্ণভাবে তার ভুল বুঝতে পারে।  সে বুঝতে পারে যে দিনের শেষে সব সময় বাবা-মা-ই সঙ্গে থাকে।  যে বাজে অভ্যাস গুলোর জন্য তার আজকে এই অবস্থা সেগুলো সবই জড়ো বস্তু তার এই খারাপ সময় সেগুলোর কোনো অস্তিত্বই নেই । সে বুঝতে পারে তার মায়ের সামনে দেখানো হাসির পেছনে  কতটা দুঃখ লুকিয়ে আছে । সে বুঝতে পারে তার মায়ের তাকে নিয়ে কতটা আশা কতটা স্বপ্ন সাজানো আছে । সে তার মাকে আবার জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করে । এবার আর তার মা তাকে থামায় না, তার মা বুঝতে পারে তার ছেলে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে । আর সত্যিই মাহির তার নিজের ভুল এমন ভাবে বুঝতে পারে যে ফেইল করা তো দূর, তারপর থেকে প্রতিটা ক্লাসে সে প্রথম এর জায়গায় কখনো দ্বিতীয়  হয় না । 


মোটিভেশনাল গল্প , Bangla Educational Story 


আমাদের যা উচিত.......

 আমাদের মধ্যেও কোথাও না কোথাও এরকম একটা মাহির আছে। যে চাইলে তো অনেক বড় কিছু করতে পারে।  কিন্তু কিছু বাজে অভ্যাস আর অলসতার কারণে পড়াশোনা থেকে দূরে থাকে। আমাদের বাবা মা-ও কিন্তু আমাদের নিয়ে এতটাই আশা করে থাকে । বাকি মানুষ দের কে তাদের তো শুধু রেজাল্ট এর দিনেই দেখা যায় । আমরা চাইলে কিন্তু মাহিরের মতন সম্পূর্ণ অভ্যাস বদলে ফেলতে পারি । সেই মানুষ গুলোর জন্য যারা শত কষ্টকে লুকিয়ে রেখে আমাদের জন্য হাসে, যাতে আমরা ভালো থাকি। আমরা চাইলে কিন্তু জীবনে বড় কিছু করে, নিজের বাবা মায়ের সেই কষ্ট কে দূর করতে পারি ।  শুধু পড়াশোনা নয় যেকোনো কাজে আমরা যদি নিজের হান্ড্রেড  পার্সেন্ট প্রচেষ্টা দিতে পারি। তাহলে আমরা কিন্তু সফল হবোই । 


অনুপ্রেরণামূলকছোট গল্প

তাই শুধু শুধু কোনো প্রকার সময় নষ্ট না করে,নিজের কাজের দিকে অগ্রসর হও। সেটা লেখা পড়া হোক বা অন্য কোনো কাজ। কারন সময় কখনো কারোর জন্য অপেক্ষা করে না। বরং সময়ের জন্য আমরা সব সময় অপেক্ষা করে থাকি।আসা করি, তুমি যদি একটু জ্ঞানী হও তাহলে সহজেই বুঝতে পেরেছ।আর আমি জানি, তুমি জ্ঞানী তাই উদাহরণ স্বরূপ হিসেবে বুঝিয়ে দিতে পারছি না।তবুও একটু উদাহরণ দেয়।যেমন : একটা নিদিষ্ট সময়ে সকালে ঘুম থেকে ওঠার অপেক্ষা করা,নিদিষ্ট সময়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা,স্কুল ছুটির জন্য অপেক্ষা করা, ইত্যাদি ইত্যাদি সব।


অনুপ্রেরণার ছোট গল্প


 সামনে তোমাদের অনেকেরই পরীক্ষা । তাই আমি চেষ্টা করলাম নিজের কথার মাধ্যমে যদি পরীক্ষার আগে তোমার একটু মোটিভেট করা যায় কি না। তাই এই গল্পটির পরে , আশা করি তোমরা নিজের সব বাজে অভ্যাস সব অলসতাকে কাটিয়ে উঠে হান্ড্রেড পার্সেন্ট । এবং নিজ প্রচেষ্টা পড়াশোনার জন্য দেবে।  তোমার বাবা মায়ের মুখের হাসিকে সারা জীবন বজায় রাখার জন্য দেবে।  আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি 'অন্তর' তোমাদের জন্য শুভ কামনা রইল।


তোমাদের কাছে আমার চাওয়া 

তোমাদের  কাছে আমার পক্ষ থেকে একটা রিকোয়েস্ট যে,  আজকের এই আর্টিকেল  টা শেয়ার করো বা  না করো, 

একটা কমেন্ট  কিন্তু অবশ্যই করো ।  যাতে আরো একজন মাহির তার সব বাজে অভ্যাস আর অলসতাকে কাটিয়ে উঠে পড়তে পারে । এরকম আরও সুন্দর সুন্দর আর্টিকেল সবার আগে পাওয়ার  জন্য এই ব্লগ টি সাবস্ক্রাইব করে রেখো । 

আমরা বাঙালী ব্লগের পক্ষ থেকে আমি অন্তর তোমাদের সাথে ছিলাম ।এবং  খুব তাড়াতাড়ি আবারও কথা হবে  আরও একটি নতুন আর্টিকেলে  ।

জ্ঞানের প্রধান উদ্দেশ্য বই [ 'বই' একটি অনুপ্রেরণামূলল গল্প ] Bangla Inspiration Story -WeBangali.com

জ্ঞানের প্রধান উদ্দেশ্য বই [ 'বই' একটি অনুপ্রেরণামূলল গল্প ] Bangla Inspiration Story -WeBangali.com

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প, সকল জ্ঞানের মূল হলো বই WeBangali.com
Bangla Motivation Story - WeBangali.com

আপনি কি জানেন  সকল জ্ঞানের মূল হলো বই,

আচ্ছা তুমি যে বইগুলো আজকে পড়ছো, তার প্রায় প্রতিটা বইয়ের পাতা গুলো একদিন নষ্ট হয়ে যাবে । আর যদি নষ্ট নাও হয় তাহলে সেগুলোকে হয়তো জলের দরে কোনো কাগজ ওয়ালাকে একদিন বিক্রি করে দেওয়া হবে । প্রতিটা বইয়ের পেজ হয়তো নষ্ট হয়ে যেতে  পারে।


 কিন্তু আপনি কি জানেন প্রতিটা বই তৈরি হওয়া থেকে নষ্ট হওয়া পর্যন্ত, প্রতি টি বই একজন অজ্ঞানী মানুষকে জ্ঞানী মানুষে পরিণত করতে সাহায্য করে। তুমি যে কলম গুলো দিয়ে আজকে লিখছো সেগুলোর কালি একদিন শেষ হয়ে যাবে। আর একসময় গিয়ে সেগুলোও ভেঙে নষ্ট হয়ে যাবে বা ওই কলম দিয়ে আবারও নতুন কলম তৈরি হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিটা কলম তৈরি হওয়া থেকে নষ্ট হওয়া পর্যন্ত একজন মানুষের অ,আ,ই,ঈ....  থেকে সিগনেচার এর জার্নি তৈরি করে দেয় । প্রতিটা ঘুড়ি একসময়  উড়ানোর পর নিদিষ্ট সময়ে তা ছিরে বস ডাস্টবিনের ময়লা-অলা জায়গায় গিয়ে  থেমে যায়। কিন্তু সেটা ডাস্টবিনে যাওয়ার আগে সুদূর আকাশে উড়ে দেখায় । 


আমাদের উদ্দেশ্য টা কি? 

বই,কলম, ঘড়ি এগুলো জড়োবস্তু হওয়া সত্ত্বেও যদি শেষ হয়ে যাওয়ার আগে তার জীবনের উউদ্দেশ্য সঠিকভাবে পূরণ করে যেতে পারে । তাহলে তুমি আমি যাদের কাছে চিন্তা করা শক্তি আছে , যাদের কাছে স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা আছে , তারা কেন নিজের জীবনের উদ্দেশ্য পূরণ করে যেতে পারবে না ।


 তুমিও ভালো করে জানো যে তুমি একদিন শেষ হয়ে যাবে। আমিও ভালো করে জানি যে আমিও একদিন শেষ হয়ে যাব। কিন্তু যত দিন এই পৃথিবীতে আমরা বেঁচে আছি, ততদিন কেন আমরা জড় বস্তুর মতো অলসতা করে টাইম পাস করবো.? কেন আমরা ভুলে যাচ্ছি , যে আমাদেরও এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার আগে সফলতার শিখর ছুঁয়ে যেতে হবে । কেন আমরা এটা ভুলে যাচ্ছি যে আমাদেরও নিজের জার্নি নিজের নাম লেখা থেকে অটোগ্রাফ দেওয়া অব্দি নিয়ে যেতে হবে । যদি একটা বই জড়ো বস্তু হয়ে আমাদের জ্ঞান দিতে রাজি থাকে। তাহলে কেন আমরা বুদ্ধিমান হয়ে জ্ঞান নিতে রাজি নই । কেন আমরা আমাদের স্টুডেন্ট লাইফ টাকে ব্যাড হ্যাবিটের পিছনে নষ্ট করে দিতে রাজি হয়।


 কিন্তু এই সময়টাকে সঠিকভাবে ইউটি লাইজ করে শিখতে রাজি নই । কেন আমরা শুধু মার্কের জন্য পড়াশোনা করতে রাজি হয় , কিন্তু বড় কোন উদ্দেশ্য এর জন্য পড়াশোনা করতে রাজি নই।  আজই নিজেকে এই কথাগুলো জিজ্ঞেস করো , আর দেখো যে তোমার ভেতর থেকে কি উত্তর আসে.? যদি উত্তর আসে যে, তুমি সারাজীবন সাধারণ হয়ে কাটিয়ে দিতে রাজি, বা নিজের নাম কে শুধু নাম অব্দি রেখে দিতেই রাজি , যদি উত্তর আসে তুমি শুধু ইতিহাস পড়তে-ই রাজি , তাহলে যেমন ভাবে সময় কাটাচ্ছো,ঠিক তেমনি ভাবেই কাটতে দাও । 

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

আর যদি তোমার ভেতর থেকে উত্তর আসে,  যে আমি সাধারণ হয়ে এসেছি বটে , কিন্তু সাধারণ হয়ে যেতে রাজি নই। আমি বড় কিছু অর্জন করে তারপরেই যাব , যদি উত্তর আসে যে, না আমি নিজের নাম কে নাম অব্দি রেখে দিতেই রাজি নই , আমি নিজের নাম কে অটোগ্রাফে এ পরিবর্তন করে দিয়ে তবেই যাব,  যদি উত্তর আসে যে, আমি শুধু নামই ইতিহাস পড়তে রাজি নই ,  আমি এই পৃথিবী থেকে যাওয়ার আগে ইতিহাস তৈরি করে দিতে চাই এরপর-ই গা যাব । 


আজ থেকেই তোমার লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য তৈরি কর

তাহলে বন্ধু , সব অলসতা এবং সব বাজে অভ্যাস কে ছেড়ে আজই একটা বড় উদ্দেশ্য তৈরি কর।  আর হাতে বই তুলে নাও, তোমার কাছে থাকা প্রতি টা বইয়ের মধ্যে এত পরিমান জ্ঞান রয়েছে, যা তোমাকে তোমার ফিল্ডে পুরো পৃথিবীতে সবচেয়ে সফল ব্যক্তি বানাতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করতে পারে । সেখার জন্য পড়ো, কিন্তু  শুধুমাত্র মার্কে এর জন্য নয় । বড় কিছু করার জন্য পড়। দেখবে তোমার উদ্দেশ্য যা ছিল তাই পূরণ হ'য়ে গিয়েছে। কিন্তু এর জন্য সবার আগে তোমাকে তোমার উদ্দেশ্য বা তোমার লক্ষ্য  টা কে সঠিক ভাবে তৈরি করতে হবে। যাতে তুমি এক দিন অনেক বড় বা বিখ্যাত বা জীবনে সাকসেস হতে পার।


যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প

যদি নিজে কে নিয়ে  আজই একটা বড় উদ্দেশ্যে বা লক্ষ্য বা আপনার গোলস তৈরি করো, আর হাতে বই তুলে নাও। তাহলে তোমার কাছে থাকা প্রতিটা বইয়ের মধ্যে এত পরিমান জ্ঞান রয়েছে যা তোমাকে তোমার অসম্পূর্ণ জীবন কে বদলে সম্পূর্ণ ভরপুর জীবনে পাল্টে দিবে।  এ পুরো পৃথিবীতে সবচেয়ে সফল ব্যক্তি রা শুধু মার্কের জন্য পড়া লেখা করে নি , তারা জীবনে বড় কিছু করার জন্য বানানোর জন্য পড়া লেখা করে গেছে । তুমি যুগ-যুগান্তর ইতিহাস সম্পর্কে পড় তাহলে হয়তো সঠিক ভাবে বুঝতে পারবে।তারা কেন পড়া লেখা করে ছিল.? 

 আর তাদের এই পড়া লেখার ফলে আজ আমরা আমাদের জীবন টাকে আরও সহজ করে ফেলেছি। 


সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প

যদি উদাহরণ স্বরূপ হিসেবে বুঝিয়ে দিতে হয় তাহলে  সবার আগে বলব যে, আপনি যে আমার এই আর্টিকেল টি পড়চ্ছেন যার মাধ্যমে তা কিন্তু সহজে তৈরি হয়নি।এর পেছনে নিজের সম্পূর্ণ জ্ঞান দিয়ে তৈরি করেছে এই ইন্টারনেটে, ইন্টারনেটের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। এছাড়াও তোমার আশে পাশে যা কি আছে বা ঘটছে শুধু প্রকৃতি ছাড়া সবই কিন্তু মানুষের দ্বারা সৃষ্ট। আর এই সব তৈরি বা আবিষ্কার করার জন্য প্রয়োজন হয়েছে মানুষের জ্ঞান। যার দ্বারা আজ পৃথিবী হাতের মুঠোয়। 

কিন্তু এই জ্ঞান-এর পেছনে রয়েছে বই।যুগে যুগে বিভিন্ন মনিষ্যি, জ্ঞানী, বিজ্ঞানীরা প্রকৃতি থেকে জ্ঞান অর্জন করে।এবং এই জ্ঞান যেন বিলুপ্ত বা হারিয়ে না যায় এজন্য যুগে যুগে তা সংরক্ষণ করে এসেছে। কখনো পাথরের উপর খোদাই করে,আবার কখনো গাছের পাতার উপরে, আবার কখনো কাগজের উপরে, কিন্তু এখন আবার তা সংরক্ষণ করে রাখছে ইন্টারনেটের দুনিয়ায়। 


এরপর আমি আবারও বলব

এরপরও আমি আবারও বলব যে, শুধুমাত্র মাস্কের জন্য পড়া লেখা করোনা। নিজেকে  বড় কিছু করার জন্য , বিখ্যাত করার জন্য , তোমরা অটোগ্রাফ অন্যদের দেওয়ার জন্য পড়। শুধুমাত্র স্টুডেন্ট লাইফ টাকে কাটাতে হবে তার জন্য নয়। নিজের বড় উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কে চোখের সামনে দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখো। নিজের  মোবাইলের ওয়াল পেপার করে রাখো । যাতে তোমার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য টা তোমাকে আর এক মিনিটও সময় নষ্ট করতে না দেয়।  বইকে নিজের আপন বন্ধু বানিয়ে ফেলো । আর জ্ঞানের শক্তি নিয়ে এতো ওপরে ওঠো. যাতে তোমার সফলতার উড়ান দেখে সবাই বলে, আমিও এর মতো হতে  চাই। 


তোমার কাছে থেকে আমার চাওয়া 

তোমার কাছে থেকে আমার চাওয়া শুধুই একটু যে,আমাদের লেখা আর্টিকেল গুলো পরে, যদি তোমার ভালো লেগে থাকে, বা তোমার কোনো প্রয়োজনে আসে তাহলে আমাদের আর্টিকেল গুলো তোমার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার কর। আর তোমার মনের কথা টি কমেন্ট করে আমাদের নিশ্চয়ই জানাবে।কারণ তোমার একটি কমেন্ট আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা স্বরুপ। 


অনান্য আরও গুগল সার্চ সমূহ;
ভালোবাসার গল্প ২০২০

অতিরিক্ত বিলাসিতা গরিব হওয়ার লক্ষন[বিলাসিতা]Bangla Motivation Story - শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প WeBangali.com

অতিরিক্ত বিলাসিতা গরিব হওয়ার লক্ষন[বিলাসিতা]Bangla Motivation Story - শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প WeBangali.com

শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প


WeBangali.com | শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প |Bangla Motivation Story
শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প

চাহিদা অনুযায়ী খরচ  করুন, 

আচ্ছা খুশি থাকার জন্য বা সুখী থাকার জন্য আপনার কি কি দরকার এক বার ভেবে দেখেছেন ?  একটা দামি মোবাইল একটা দামি ঘড়ি বা একটা দামি মোটর বাইক তোমাকে সারাজীবন খুশি করতে পারবে? আমার তো মনে হয় না । এখন যদি তুমি বলো আচ্ছা তবে কি, মিডিল ক্লাস ফ্যামিলি দিয়ে শখ রাখাটা কি উচিত নয়। এটার উত্তর আমি এই গল্পের শেষে দেবো।  তার আগে এই বাস্তব জীবনের গল্পটা শোনো । 


Bangla Motivation Story 

এক জন ব্যক্তির যার চোখে রঙিন স্বপ্ন। সাথে রয়েছে সোনালী ভবিষ্যৎ।  কিন্তু তার, জীবন থেকে চাহিদা ছিল প্রচুর যেমন: দামি গাড়ি হবে, দামি বাড়ি হবে।কিন্তু  সে কখনো টাকা জমাতে শেখেনি, সে টাকা ওড়াতে জানতো না, সেই লোকটি খুব ধনী পরিবারের নয় বরং ছাপোসা একটা মিডিল ক্লাস ফ্যামিলি থেকে ববসবাস  করে।


 বাড়িতে তার বোন আর মা রয়েছে।  তার বাবা মারা যাবার পর যে প্রাইভেট কোম্পানি তে  তার বাবা কাজ করতো , সেখানেই বলে-কয়ে তার বাবার কাজটা সে পেয়ে যায়। আর কিছু করার নেই বলে মুখ বুঝে ওই তেরো হাজার টাকার চাকরিটা সে করতে বাধ্য হয় । তার বাবা বেচে থাকা কালে হেঁটে হেঁটে কাজে যেত কিন্তু সে জয়েন করার কিছুদিন বাদেই একটা নতুন বাইক  কিনে বসে।  যার ইএমাই  মাসে প্রায় তিন হাজার টাকা তাকে গুনতে হতো । আর সে ভাবতো যে , এখন আমি তো কাজ করছিই আর  মাসে মাসে তো টাকা চলেই আসবে । তাই কোনো প্রকারের চাপ নেই না।  এবং সে তার মনের মত দামি বাইক কিনে বেশ খুশিই ছিল। আর মনে মনে সে এটাও ভাবতে লাগে যে বাবাকে কত করে বলতাম, একটা বাইক কিনে দিলে কি হবে ? কিন্তু বাবা কিনে দেয় নি।কিন্তু এখন আমি ঠিকই বাইক কিনে তার EMI দিব্বিই দিয়ে যাচ্ছে।


 একমাস যাবার পর সে হিসেব করে দেখলো তার দামি নতুন গাড়ির পেছনে পেট্রোল কিনতে হচ্ছে দেড় হাজার টাকা । কিন্তু তার মাইনে তো পনেরো হাজার টাকা তার থেকে বাইকের ইএমআই দিতে হয় চার হাজার প্লাস, পেট্রোল দেড় হাজার এবং এর সাথে সে যেখানে বাইক রাখতো সেখানে তাকে মাস গেলে পাঁচশো টাকা করে দিতে হতো । এই ভাবে তার ছয় হাজার টাকা তার বাইকের পেছনে চলে যেতে থাকে। আর এই জন্য মাসে মাইনে পাবার পর তার হাতে সাত হাজার টাকা থাকতো । এটা দিয়ে সে তার সংসার চালাতো ,বোনের পড়া পড়াশোনা চালাতো ,  গ্যাসের বিল, ইলেক্ট্রিক বিল, টেবিলের বিল সমস্ত টাই মেটাতো। এই জন্য তার নিত্যদিন-এ খাওয়া দাওয়াতে একটু সমস্যা অবশ্যই হচ্ছিল । কিন্তু তার পরিবার সেটা মানিয়ে নিয়েছিল। [ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প ]



 বেশ কিছুদিন বাদে সে দেখল তারই প্রতিবেশী একটা বড় গাড়ি কিনেছে । বেশ দামী , আর এই দেকে সে মনে মনে ভাবল যে , ওর কাছে যা আছে আমার কাছে তা নেই । সে ভাবতে লাগলো যে, যেকোনো  মূল্যে আমায় একটা গাড়ি কিনতেই হবে। কিন্তু গাড়ি কিনতে গেলে তো টাকা চায় ।  আর যা মাইনে, আর ব্যাংকে যা টাকা আছে তাতে একটা গাড়ি অবশ্য হবে না । তাই সে ব্যাঙ্ক থেকে ঋন নেয়,তার বাড়িটাকে বন্দুক হিসেবে রেখে । আর সে ভাবে ওভার  ডিউটি করে সংসার চালিয়ে নেব। কিন্তু ওভার ডিউটি করলেও কত বা দেবে ? মাথায় লোনের চাপ, ঘাড়ে ইএম৷আই এর বোঝা তার সাথে সংসার ।  সে আর পেরে উঠছিল না। এবার সে সিদ্ধান্ত নেই এই গাড়ি বেঁচেই আমার ঋণের টাকা শোধ করতে হবে। কিন্তু তাতেও তার লোন মুকুব হলো না । ধীরে ধীরে সে এই সব বোঝা কাদ থেকে নামিয়ে নিজেকে এক অন্ধকার দুনিয়ায় ভাসিয়ে দিল । ভীতুর মতো ছেড়ে চলে গেল এই দুনিয়া থেকে। আর ওই বোঝা চাপিয়ে দিয়ে গেল তার মা এবং বোনের উপর। 



কিন্তু তার মা বোনের অবস্থাটা কি হবে লজিক্যাল লাগছে না কথাগুলো তাই না ? কারণ আমাদের চোখের সামনে তো সবাই কাজ করে আর লোন নেয়, আর বিভিন্ন জিনিস পত্র কেনে আর এই ভাবেই একটা লোন শোধ করে আরো একটা লোন নেই । আরো একটা চলতে থাকে। [ যুব শক্তির অনুপ্রেরণার গল্প ]



আমরা চাকরি পেলে যা যা করি,

আমরা সাধারণ একটা চাকরি পেয়ে আমাদের ইচ্ছে গুলোকে পূরণ করতে শুরু করি।  কেউ তার শখের মোবাইল কিনে ,কেউ তার শখের বাইক ইত্যাদি ইত্যাদি জিনিস পত্র  কিনে বসে এক মাসের মাইনে পেয়ে । সে জানেই না , সেই চাকরি  টা আগামী মাসে থাকবে কি থাকবে না ? বা কোনো দুর্ঘটনায় আপনার কোনো ক্ষতি হয়ে গেল। ঠিক তখন আপনি কি করবেন ? 


কিছু বাস্তব জীবনের কথা, বাংলা গল্প,Bangla Golpo

প্রকৃতি পক্ষে এই যে , চাকরি পাওয়ার সাথে আমাদের চাহিদা গুলো আমাদের ইনকাম বা আয়ের  থেকে বড় হতে থাকে । তুমি যদি একটা সাধারণ পরিবারের ছেলে বা মেয়ে হও , তবে আজ থেকে টাকা কামানোর কথা ভাবো ওড়ানোর কথা নয় । মনে রাখবে বড়-লোকেরা বড়লোক হওয়ার জন্য জিনিস কেনে ।  তাই তারা আরও ধনী হয় । আর গরিবেরা বড় লোক দেখাবার জন্য জিনিস কেনে,  তাই তারা আরও গরিব হয় ।

 কিছু বুঝতে পারলে বন্ধু ? চাহিদা সম্পর্কে অবশ্যই তোমাকে বুঝতে হবে । কোনটা চাহিদা আর কোনটা অতিরিক্ত চাহিদা। তাই আর দেরি না করে অতিরিক্ত টাকা নষ্ট করা থেকে বিরত থাকো।


নিজের জন্য নিজের পরিবারকে কোন দিনও হুমকির মুখ এর মধ্যে ফেলো না । কোনো কিছু করার আগে খুব ভুল করে ভেবে চিন্তে ডিসিশান নাও।সব সময় নিজেকে প্রশ্ন করতে থাকো ,আমি  কি কিনবো কেন কিনবো কি জন্য কিনবো।আর এই বিষয়ে ভাবো একবার নয় ,  দশবার ভাবো । কারণ এই ডিসিসন টাই তোমাকে এক দিন মধ্যবিত্ত থেকে বড়লোক বানাতে পারে । আর যদি কারোর মনে হয় এত ভেবে জীবন চলে না তবে বন্ধু সব পাখি  আকাশে উড়তে পারে না। সময়ের সাথে পাখিরাও  মাটিতে লুটিয়ে পড়ে । মনে রেখো তবে এটা ভুল না । 


সব সময় মাথায় রাখতে হবে[ সফলতা ও অনুপ্রেরণার গল্প ]

আজ যদি নিজে কে সাইকেলে কমফোর্টেবল করে ফেল, তবে তুমি বাইক কিনতে পারবে না । তাই তোমাকে কমফোর্ট থেকে বের হতে  হবে । নিজেকে আনকমফোর্ট অবস্থায় ফেলতে হবে ।


 কিন্তু তার আগে নিজের ক্ষমতাটা এবং তুমি কেমন অবস্থায়  আছো সেটা দেখে নেবে । আর কোনো জিনিস কেনার দিকে নয়, কামানোর দিকে প্রকাশ করো তোমার ইচ্ছা । কারণ যদি তোমার চাহিদা পুকুরের মতো হয়, তবে তোমাকে কামাতে হবে সমুদ্র এর মতো। যাতে তোমার চাহিদা গুলো তোমার টাকার কাছে ছোট হয়ে যায় । তুমি যদি বুদ্ধিমান হও তবে আমার কথাগুলো অবশ্যই বুঝতে পারছো । তাই বসে না থেকে  ইনকামের রাস্তা তৈরি করো। আজ যদি পাঁচ হাজার থেকে ছ হাজার টাকা ইনকাম করছো, নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাইছো, তাহলে টাকা গুলো অযাথা প্রয়োজন ছাড়া কোনো বাজে কাজের জন্য ব্যয় কর না। 


উপদেশ ও অনুপ্রেরণার গল্প


সেই টাকা টাকে ডবল করার চেষ্টা করো । ট্রিপল করার চেষ্টা করো । কারণ মনে রেখো, ধনী ব্যক্তিরা ধনী হবার জন্য বিভিন্ন দামি দামি জিনিস কেনে । আর গরিবেরা বড়লোক ভাব দেখাবার জন্য জিনিস কেনে। 


অনান্য আরও গুগল সার্চ সমূহ;