সাতক্ষীরা জেলার নামকরণের প্রাচীন ইতিহাস ও জনপ্রিয় খাবার এবং স্থান সমূহ WB

সাতক্ষীরা জেলার নামকরণের প্রাচীন ইতিহাস ও জনপ্রিয় খাবার এবং স্থান সমূহ WB

সাতক্ষীরা জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় খাবার ও স্থান সমূহ এবং এই জেলার নাম করন ও প্রাচীন ইতিহাস 

সাতক্ষীরা জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় খাবার ও স্থান সমূহ
সাতক্ষীরা জেলার বিখ্যাত ও জনপ্রিয় খাবার ও স্থান সমূহ


WB: সাতক্ষীরা জেলার নামকরণের প্রাচীন ইতিহাস

 খুলনা বিভাগের একটি জেলার নাম সাতক্ষীরা । এটি খুলনা ও যশোর শহরের পাশের শহর । 


আপনি এটি  শুনে নিশ্চয়ই অবাক হবেন যে , এই সাতক্ষীরা জেলার আদি নাম ছিল সাতঘরিয়া । চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় বিষ্ণুরাম চক্রবর্তী নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কর্মচারী হিসেবে ১৭৭২ সালে নিলামে এই পরগনা কিনে গ্রাম স্থাপন করেন। তাঁর পুত্র প্রাণনাথ চক্রবর্তী সাতঘর কুলীন ব্রাক্ষ্মণ এনে এই পরগনায় প্রতিষ্ঠিত করেন তা থেকে সাতঘরিয়া নাম হয়।


সাতক্ষীরা জেলার বিখ্যাত খাবার সমূহের মধ্যে সর্বপ্রথম রয়েছে "সন্দেশ" । আসলে সাতক্ষীরা জেলার যে সন্দেশ গুলো বানানো হয় সেটা সম্পূর্ণ খাটি গরুর দুধের ছানা দিয়ে । এবং তাদের কিছু গোপন ফরমুলার মাধ্যমে । আর এই জন্য সাতক্ষীরার সন্দেশ এতো জনপ্রিয় সবার কাছে । 



সাতক্ষীরা জেলার বিখ্যাত বা জনপ্রিয় স্থান সমূহ 

০১।  সুন্দরবন।


০২।  মান্দার বাড়িয়া সমুদ্র সৈকত।


০৩৷  যশোরেশ্বরী মন্দির।


০৪।  হরিচরণ রায় চৌধুরীর জমিদার বাড়ি ও জোড়া শিব মন্দির।


০৫।  যিশুর গির্জা।


০৬।  মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট।


০৭।  মায়ের মন্দির।


০৮।  মায়ি চম্পার দরগা।


০৯।  জোড়া শিবমন্দির।


১০।  শ্যামসুন্দর মন্দির।


১১।  চেড়াঘাট কায়েম মসজিদ।


১২৷  তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ।


১৩।  গুনাকর কাটি মাজার।


১৪।  বুধহাটার দ্বাদশ শিবকালী মন্দির।


১৫।  টাউন শ্রীপুর।


১৬।  দেবহাটা থানা।


১৭।  প্রবাজপুর মসজিদ।


১৮।  নলতা শরীফ। 


About Satkhira District WB Update 

এসকল স্থান গুলোর জনপ্রিয়তার দিক থেকে অনেক এগিয়ে আছে । উপরের মোট ১৮ টি স্থান যা সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন ঐতিহ্য এর সৃতি বহন করে । এছাড়াও সাতক্ষীরা জেলাতে বিভিন্ন ছোট বড় পার্ক রয়েছে সেগুলো-ও সাতক্ষীরা বাসি দের প্রিয় স্থান হিসাবে ধরা হয়ে থাকে । কিন্তু আজ কে উপরে যে কয়টা স্থানের নাম উল্লেখ করেছি তা প্রায় সবার কাছে চেনা ও অতি-জনপ্রিয় স্থান গুলোর মধ্যে । এই সকল স্থানে প্রত্যেক বছর হাজারো লোক ঘুরে বেড়াতে আসে এই সকল সাতক্ষীরার বিখ্যাত স্থান গুলো দেখতে   । 


কুষ্টিয়া জেলার নামকরণ ও প্রাচীন ইতিহাস, Kushtia Zilla All Details

কুষ্টিয়া জেলার নামকরণ ও প্রাচীন ইতিহাস, Kushtia Zilla All Details

 Kushtia Zilla All Details | কুষ্টিয়া জেলার সকল তথ্য 

কুষ্টিয়া জেলার নামকরণ ও প্রাচীন ইতিহাস, Kushtia Zilla All Details
কুষ্টিয়া জেলার নামকরণ ও প্রাচীন ইতিহাস,
Kushtia Zilla All Details

কুষ্টিয়া জেলার নামকরন কিভাবে করা হয়  ?  কবে করা হয় ? 

আপনি এটি পড়ে সত্যিই অবাক হবেন যে , আজও কুষ্টিয়া জেলার নামকরণ নিয়ে নানা কাহিনী প্রচলিত আছে  । কারোর মতে কুষ্টিয়ায় এক সময় কোস্টার চাষ করা হতো (কুষ্টিয়া বাসিরা পাট কে আঞ্চলিক ভাষায় কোস্টা বলে থাকে ) । আর প্রায় মানুষ ধারণা করে যে,  এই কোস্ট শব্দ থেকে কুষ্টিয়ার উৎপত্তি হয়েছে । কিন্তু কুষ্টিয়া জেলার আদি নাম ছিল নদীয়া জেলা৷ হয়তো আপনি এর আগেও কোথাও না কোথাও নিশ্চয়ই শুনে থাকবেন । 


 হেমিলটনের গেজেটিয়ারে উল্লেখ্য করেন যে, এক সময় কুষ্টিয়া জেলাকে স্থানীয় জনগণ একে শুধু  কুষ্টি বলে ডাকত। এমনকি এখনো গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ কুষ্টিয়া কে সংক্ষেপে শুধুই কুষ্টি বলে ডাকে । আর ধারণা করা হয় যে,  কুষ্টি শব্দ থেকেই কুষ্টিয়া নাম করণ করা হয়েছে । আর এই কুষ্টিয়া জেলা ১৯৮৪ সালে মোট ৬ টি থানা নিয়ে এই জেলা টি গঠিত হয়।




কুষ্টিয়া জেলার বিখ্যাত খাবার সমূহ কি কি  ? 

কুষ্টিয়া জেলার মানুষের জনপ্রিয় খাবার হলো


১।  তিলের খাজা এবং 

২।  কুলফি মালাই (একটি জনপ্রিয় আইসক্রিম) । 


আমার জানা মতে, কুষ্টিয়া জেলায় যে মানুষ গুলো একবারও হলেও ঘুরতে এসেছে তারা সবাই তিলের খাজা ও কুলফি মালাই এর সম্পর্কে জানেন । কারণ এই তিলের খাজার জন্য কুষ্টিয়া জেলা সারা বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় । 



কুষ্টিয়া জেলার বিখ্যাত স্থান সমূহ 


০১। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহের কুঠিবাড়ি । 


০২।   বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের মাজার । 


০৩। মীর মশাররফ হেসেনের বাস্তুভিটা । 


০৪। ঝাউদিয়ার শাহী মসজিদ ৷


০৫। আড়-য়া পাড়ার নফর শাহের মাজার । 


০৬। কুমারখালী বাজারে দরবেশ সোনা বন্ধুর মাজার৷ 


০৭। সাফিয়ট গ্রামের জঙ্গলী শাহের মাজার । 


০৮। জর্জবাড়ী । 


০৯। মুহিষ কুন্ডি নীলকুঠি । 


১০। কালীদেবী মন্দির । 


১১। মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘মুক্তবাংলা’ । 


১২। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় । 


১৩। রেইনউইক বাঁধ  । 


১৪। পাকশী রেল সেতু । 


১৫। হরিপুর ব্রীজ । 


১৬। পাকশী ব্রীজ । 

 

১৭।   বিএডিসি ফার্ম আমলা (আমলার ফার্ম) ।


১৮।   সুজনের বিল(অঞ্জনগাছী,মিরপুর,কুষ্টিয়া) । 


১৯।  খোকসা উপজেলার ইউটিউব গ্রাম ।


২০।  কুষ্টিয়া বাইপাস । 


All Details Of Kushtia District, 

এছাড়াও কুষ্টিয়া জেলায় ছোট বড় পার্ক সহ আরও অনেক অনেক সুন্দর ও মন রঞ্জন করা স্থান রয়েছে এর মধ্যে রয়েছে কুষ্টিয়া সদর পৌরসভা, জিয়া পার্ক,শিশু পার্ক, ডিসি কোর্ট ইত্যাদি । 


এসকল দর্শনীয় স্থান গুলোতে বিভিন্ন সময়ে যেমন; কোনো বিশেষ দিনে সেটা ঈদ হোক বা পহেলা বৈশাখ,বা পূজার  দিন এমন কি এই সব সাধারণ দিনেও বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ , এবং স্টুডেন্ট রা তাদের বিশেষ অবসর সময়ে এই সকল স্থান গুলোতে ঘুরতে চলে আসে । প্রিয় জন দের সাথে কিছু আনন্দময় মুহুর্ত কাটানোর জন্য৷ 


কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার সকল তথ্য-WeBangali (মিরপুর থানা)

কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার সকল তথ্য-WeBangali (মিরপুর থানা)

মিরপুর উপজেলার মানচিত্র

মিরপুর উপজেলা এটি কুষ্টিয়া জেলার একটি উপজেলা বা থানা । 
মিরপুর প্রথম থানা গঠিত হয় ১৮৮৫ সালে । এবং পরবর্তী ১৯৮৩ সালে  ১ আগস্ট এই থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয় ।
মিরপুর উপজেলা কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলা 


 

মিরপুর উপজেলার সকল তথ্য

অবস্থান ২৩°৪৫´ থেকে ২৪°০০´ উত্তর অক্ষাংশ পূর্ব দেশ
আয়তন   মোট ২৯৬.৩১ বর্গ কি.মি. বা ১১৪.৪১ বর্গমাইল
মোট জনসংখ্যা ৩,১৫,০০০
মুসলিম২,৭৮,৭৫৭
হিন্দু ৬,২৫২ এবং অন্যান্য ৮০
মোট জনঘনত্ব৯৫০/বর্গকিমি (২,৫০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার  মোট ৮৭%
বিভাগীয় কোড৪০৫০৯৪
হাসপাতাল সমূহ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং অনান্য বেসরকারি ক্লিনিক
নদী সমূহপদ্মা, কুমার নদ, গড়াই নদী এবং সাগরখালী উল্লেখযোগ্য
দর্শনীয় স্থানবি এ ডি সি ফার্ম, ভগবান নিবাস - আমলা, মিরপুর কুষ্টিয়া






 

মিরপুর উপজেলার সকল ইউনিয়ন সমূহ

০১.  চিথলিয়া ইউনিয়ন
০২. বহলবাড়িয়া ইউনিয়ন
০৩. তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন
০৪. বারুইপাড়া ইউনিয়ন
০৫ ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন
০৬. ধুবইল ইউনিয়ন
০৭.  সদরপুর ইউনিয়ন
০৮. ছাতিয়ান ইউনিয়ন
০৯. পোড়াদহ ইউনিয়ন
১০. কুর্শা ইউনিয়ন
১১. মালিহাদ ইউনিয়ন
১২. আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন
  ১৩. আমলা ইউনিয়ন


মিরপুর উপজেলার মোট ১৩ টি ইউনিয়ন









মিরপুর উপজেলার বিশিষ্ট ব্যাক্তি গন

১। ড.রাধা বিনোদ পাল: বিখ্যাত আইনবিদ, কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ২য় মহাযুদ্ধের সময় হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের অন্যতম প্রধান বিচারক ছিলেন।

২। মোঃ আফতাব উদ্দিন খান: মুক্তিযুদ্ধের আন্যতম সংগঠক, কুষ্টিয়া জেলার সর্ববৃহত গেরিলা যুদ্ধের নেতৃত্ব প্রদানকারী গেরিলা কমান্ডার। এই যুদ্ধে ২৬ নভেম্বর ভোর ৫টায় উভয় পক্ষ পরস্পর মুখোমুখি হয়। ৬ ঘণ্টাব্যাপী তুমুল যুদ্ধের পর পাকবাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। এ যুদ্ধে ৬০ জন পাক সৈন্য নিহত হয়। ৮ ডিসেম্বর ভোরে E-9 এর গ্রুপ কমান্ডার আফতাব উদ্দিন খান ১৭০ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে মিরপুর থানায় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গান স্যালুটের মাধ্যমে উত্তোলন করেন।

৩। কাজী আরিফ: মুক্তিযুদ্ধের আন্যতম সংগঠক। বর্তমান তার নামে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর হাইওয়ে কচুবাড়ীয়া গ্রামের এক সড়ক তার নামে ভূষিত করা হয় । বর্তমান সড়ক টির নাম কাজী আরিফ সড়ক ।




অর্থনীতি ব্যবস্থা 


মিরপুর উপজেলার মানুষের কৃষিকাজ হল  জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম। এছাড়াও জেলে, শ্রমিক, চাকরি জিবি,ব্যবসায়ী ইত্যাদি পেশার রয়েছে৷ , নতুন করে এখানে ছোট ও মাঝারি মানের শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। এর মধ্যে অন্যতম অঞ্জনগাছী গ্রামের মাছের হ্যাচারি, ও পারটেক্স ফ্যাক্টরি, এছাড়াও অনান্য পোল্ট্রি খামার, বেকারি,রাইচ মিল ইত্যাদি বিদ্যমান । 


শিক্ষা ব্যবস্থা 


শিক্ষার দিক থেকে মিরপুর উপজেলা অনেক এগিয়ে আছে ৷ মিরপুর উপজেলাতে ছোট বড় মিলে অনেক গুলো স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা রয়েছে । এর মধ্যে প্রাচীন তম স্কুলের নাম হলো আমলা সদরপুর বহুমুখি মাধ্যমিক বিদ্যালয় । 



যোগাযোগ ব্যবস্থা


বর্তমান মিরপুর  উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই  উন্নত । মানুষের  চলাচল করার জন্য বিভিন্ন উপযোগী যানবাহন রয়েছে । তবে বর্ষা কালে বেশকিছু গ্রামের রাস্তা বৃষ্টির ফলে কাদা হয়ে যায়।  তাছাড়া শহরের রাস্তা গুলোর অবস্থা অনেক টা ভালো। এবং  এসকল রাস্তায় অনেক ধরনের গাড়ি চলাচল করে। যেমন: বাস,টাক,অটো,সিএনজি, পাখি-ভ্যান সহ নানা ধরনের গাড়ি